1. mohsinlectu@gmail.com : mahsin :
  2. zahiruddin554@gmail.com : Md. Zahir Uddin : Md. Zahir Uddin
বুধবার, ১৮ মে ২০২২, ০৯:২৭ পূর্বাহ্ন
বিশেষ বিজ্ঞপ্তিঃ
সবাইকে কপোতাক্ষ নিউজ এর পক্ষ থেকে ঈদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। ঈদ মোবারক /// কপোতাক্ষ নিউজে আপনাকে স্বাগতম! (খালি থাকা সাপেক্ষে) দেশের সকল বিভাগ, জেলা, উপজেলা, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস সহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যোগাযোগ: ০১৭২৭-৫৬৭৯৭৬

ভোলায় নদীর নাব্য সংকট দূর করতে ড্রেজিংয়ের মাস্টারপ্ল্যান জরুরী

রিপোর্টার
  • আপডেটঃ বুধবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২২
  • ৩৩ বার পড়া হয়েছে

 মোঃ আওলাদ হোসেন, ভোলাঃ নদীর নাব্য সংকট দূর করতে ড্রেজিংয়ের জন্য দীর্ঘমেয়াদি মাস্টারপ্ল্যান করার পরামর্শ দিয়েছেন জলবায়ু পরিবর্তন ও পানি বিশেষজ্ঞ ড. আইনুন নিশাত।তিনি বলেন, একটা দীর্ঘমেয়াদি মডেল করে কাজ করতে হবে। ড্রেজিং লাগবেই। কিন্তু ড্রেজিং কীভাবে দীর্ঘস্থায়ী হয়, সেটা দেখতে হবে।

স্থানীয়রা জানান, ভোলা মেঘনা নদীর মাঝখানে বেশ কিছু ডুবো চর পড়ছে ঐ চর থেকে বালু উত্তলন করে অন্যত্র সরিয়ে নিতে সক্ষম হলে পানি প্রবাহ সঠিক ভাবে ধাবিত হতে থাকবে। ফলশ্রতিতে নদীর পাড়ে যে বাঁধ নির্মাণ করা হবে সেটা ভাংগনের ঝুঁকি বহুলাংশে কমে যাবে।

ভোলা পানি উন্নয়ন বোর্ড নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ হাসানুজ্জামান জানান, মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে নদীর নাব্যতা সংকট এর কারনে চারটি অঞ্চলে ভাগ করে বালুমহাল ঘোষণা করা হয়েছে। নদীর মাঝামাঝি অবস্থানে ডুবোচর থাকায় পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়ে কিনারার দিকে ধাবিত হয়। যার ফলশ্রুতিতে নদী ভাঙ্গনের সৃষ্টি প্রবল হয়।

নদীর মাঝামাঝি এসকল ডুবোচর ড্রেজিং এর মাধ্যমে কেটে দেওয়া হলে ওই অঞ্চল দিয়ে সঠিকভাবে পানির প্রবাহ যেতে পারবে। ফলশ্রুতিতে তীরবর্তী অঞ্চল সিসি ব্লক দ্বারা নির্মিত বাধ গুলো সুরক্ষিত থাকবে। ইতিমধ্যে মেঘনা-তেতুলিয়ায় যে অঞ্চলে বালুমহাল ঘোষণা করা হয়েছে সঠিক জায়গা থেকে বালু উত্তোলনের ফলে ভোলায় নদী ভাঙ্গন কমে যাবে। এতদিন এই অঞ্চল থেকে চুরি করে যত্রতত্র থেকে বালু উত্তোলনের ফলে নদী ভাঙ্গন বৃদ্ধি পেয়েছিলো। বালুমহাল থেকে কতটুকু বালু উত্তোলন করা যাবে এবং কতটুকু গভীরতা পর্যন্ত বা বালি কাটতে হবে তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে।বর্ষাকালেও নাব্য সংকট প্রসঙ্গে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. আইনুন নিশাত বলেন, বর্ষাকাল হলেও সংকটটা হচ্ছে খুব বড় নদীর। যেটা অনেক চ্যানেলে প্রবাহিত হয় এবং তার কোনো কোনো চ্যানেলে প্রাকৃতিকভাবেই সেডিমেন্ট (পলি) লোড বেশি যায় এবং সেগুলো বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, ঢাকা থেকে বরিশাল ও দক্ষিণাঞ্চলে যাওয়ার রুট কিছু দিন পর পর কিছু কিছু জায়গায় আটকে যায়। তবে এখানকার সঙ্গে নদী শাসন কিছুটা যোগ না করলেও এই ঘটনাটা ঘটতেই থাকবে। বিভিন্ন রুট বন্ধের বিষয়ে তিনি বলেন, শিমুলিয়া থেকে চরজানাজাত কিংবা কাঁঠালবাড়ীর মাঝখানে বিশাল নদী আছে। সেই নদীতে কোনো অসুবিধা নেই।একটা দীর্ঘমেয়াদি মডেল করে কাজ করতে হবে। ড্রেজিং লাগবেই। কিন্তু ড্রেজিং কীভাবে দীর্ঘস্থায়ী হয়, সেটা দেখতে হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© ২০-২২ কপোতাক্ষ নিউজ । এই ওয়েবসাইটের কোনো কন্টেন্ট অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি

ডেভলপমেন্ট এন্ড মেইনটেন্যান্স: মোঃ জহির উদ্দীন