1. mohsinlectu@gmail.com : mahsin :
  2. zahiruddin554@gmail.com : Md. Zahir Uddin : Md. Zahir Uddin
বুধবার, ১৮ মে ২০২২, ০৮:৫৬ পূর্বাহ্ন
বিশেষ বিজ্ঞপ্তিঃ
সবাইকে কপোতাক্ষ নিউজ এর পক্ষ থেকে ঈদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। ঈদ মোবারক /// কপোতাক্ষ নিউজে আপনাকে স্বাগতম! (খালি থাকা সাপেক্ষে) দেশের সকল বিভাগ, জেলা, উপজেলা, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস সহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যোগাযোগ: ০১৭২৭-৫৬৭৯৭৬

আগামী বাজেটের পুর্বে এমপিও ঘোষণা না হলে আবারও রাজপথে নামবে শিক্ষকেরা

রিপোর্টার
  • আপডেটঃ বৃহস্পতিবার, ৫ মে, ২০২২
  • ৯৬১ বার পড়া হয়েছে

২০০৬ সাল থেকে শিক্ষকদের প্রবল আন্দোলনের চাপে পড়ে ২০১০ সালে তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী জনাব নুরুল ইসলাম নাহিদ সাহেব,১৬১০টি প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত ঘোষণা দিয়ে প্রতিবছর এমপিও দিবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিলে শিক্ষকেরা আস্বস্ত হয়ে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে ফিরে যান।

কিন্তু ন্যাক্কারজনক হলেও সত্য যে, উনি শিক্ষকদের সাথে কৌশলে প্রতারণা শুরু করে দেন।শিক্ষকেরা উনার প্রতারণার ফাঁদ বুঝতে পেরে রাজপথে আবারও নেমে আসেন।ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন প্রতিরোধ,প্রতিকুলতা সামলে আন্দোলনের গতি তীব্র হতে থাকলে, তিনি তড়িঘড়ি করে ২০১৮ সালে ভুলেভরা নীতিমালার ফাঁদে শিক্ষকদের আঁটকে দেন।শিক্ষকরা ক্ষিপ্ত হয়ে স্বীকৃতির আলোকে এমপিওভুক্তির দাবী নিয়ে রাজপথে সোচ্চার হলেও,কোনো আমলে নেয়নি।পরবর্তীতে নতুন সরকারের নতুন শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে ডাঃদিপু মণি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

২০১৯ সালে আন্দোলন চলাকালীন সময়ে মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রী শিক্ষকদের আন্দোলনের মাঠে এসে শিক্ষক দের বেশ কয়েটি প্রতিশ্রুতি দিলে শিক্ষকরা আশান্বিত হয়ে আবারও প্রতিষ্ঠানে ফিরে যান।

প্রতিশ্রুতিগুলো ছিলঃ
১) অল্প সময়ের মধ্যে এমপিও প্রকাশ।
২)যতো দ্রুত সম্ভব নীতিমালা কমিটি গঠন করে দিবেন,এবং নীতিমালা সংশোধন করে আবেদন নিবেন।
৩) খুব তাড়াতাড়ি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে,
শিক্ষক নেতার বৈঠক করে দিবেন।অপ্রিয় হলেও সত্য যে ভুলেভরা নীতিমালার আলোকে ২৭৩০ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করেছেন,কমিটি গঠন করে দিয়েছেন,দীর্ঘ ছয়মাস পর আবার নীতিমালা সংশোধন করতে সময়ও নিয়েছেন, আরও দু বছর।

সংগঠনের সভাপতি সম্পাদক এর ভাষ্যমতে কৌশলে এবারেও,কলেজের কঠোর নীতিমালা চাপিয়ে দিয়ে আবেদন নিয়েছেন।আবেদন নেওয়ার প্রায় আট মাস চলছে তারপরও এমপিওর কোনো ঈঙ্গিত নেই অথচ এরই মধ্যে বিভিন্ন সময় বিশেষ ভাবে যখন তখন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হয়েছে।আরও লক্ষণীয় বিষয় ২০১৮ -১৯ অর্থ বছরে এমপিও খাতে ৪২৫ কোটি টাকা খরচ না করে সেই টাকা প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন নিয়ে ২০১৯-২০ অর্থ বছরের এমপিওভুক্তি করার জন্য বাজেটে নিয়ে আসেন,কিন্তু তিনি এবারও তিনি এমপিও না দিয়ে সেই টাকাও অব্যয়িত রাখেন।
আবার ২০২১ -২২ অর্থ বছরে এমপিওভুক্ত খাতে তিনি মাত্র ২৫০ কোটি টাকার বাজেট নেন।
লক্ষণীয় বিষয় হলো আবারও সেই নাহিদ সাহেবের পুনরাবৃত্তি শুরু হয়েছে।মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মন্ত্রীর সাথে শিক্ষক নেতাদের বৈঠকেরও কোনো দেখা মেলেনি।এমপিওভুক্তি নিয়ে শিক্ষকদের মাঝে অসন্তোষ অবিশ্বাসের মতো এক হতাশায় বিরাজমান।
এমন পরিস্থিতিতে শিক্ষকেরা আবারও রাজপথে নামার প্রস্তুতি নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন। তাদের বক্তব্য যদি আগামী ২০২২-২৩ বাজেট শুরুর আগে এমপিওভুক্তির ঘোষণা না আসে,তাহলে তারা স্বপরিবারে স্বীকৃতির আলোকে এমপিওভুক্তির দাবী নিয়ে আবারও রাজপথে নেমে আসবেন।মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী অবশ্যই শিক্ষকদেরকে যেন আবারও রাজপথে না নামতে হয়,সেই দিকে লক্ষ্য করে দ্রুতই এমপিওভুক্তির ঘোষণা দিবেন।

মোঃমোকারম হোসেন
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক
নন এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক কর্মচারী ফেডারেশন কেন্দ্রীয় কমিটি ঢাকা

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© ২০-২২ কপোতাক্ষ নিউজ । এই ওয়েবসাইটের কোনো কন্টেন্ট অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি

ডেভলপমেন্ট এন্ড মেইনটেন্যান্স: মোঃ জহির উদ্দীন