1. mohsinlectu@gmail.com : mahsin :
  2. zahiruddin554@gmail.com : Md. Zahir Uddin : Md. Zahir Uddin
সোমবার, ০৩ অক্টোবর ২০২২, ০৩:৪০ পূর্বাহ্ন
বিশেষ বিজ্ঞপ্তিঃ
 কপোতাক্ষ নিউজে আপনাকে স্বাগতম! (খালি থাকা সাপেক্ষে) দেশের সকল বিভাগ, জেলা, উপজেলা, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস সহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যোগাযোগ: ০১৭২৭-৫৬৭৯৭৬ ## ঝিকরগাছা উপজেলার ভিতর ইংরেজি টিউটর দিচ্ছি, যোগাযোগঃ ০১৯১৮ ৪০৮৮৬৩,mohsinlectu@gmail.com 

কমিশনে সাংবিধানিকভাবে নির্বাচনকালীন সরকার গঠনের প্রস্তাব মুক্তিজোটের

রিপোর্টার
  • আপডেটঃ মঙ্গলবার, ১৯ জুলাই, ২০২২
  • ১৪৭ বার পড়া হয়েছে

মোঃ সোহেল রানাঃ নিবন্ধিত সব দল নিয়ে জাতীয় পরিষদ গঠন করে উক্ত পরিষদকেই নির্বাচনকালীন সরকারের তত্ত্বাবধানগত ভূমিকায় Suo Moto Government ঘোষণার দাবী জানায় মুক্তিজোট।

মুক্তিজোট প্রস্তাবিত ‘জাতীয় পরিষদ’-এর সাংবিধানিক রূপ দেয়ার মধ্য দিয়েই কেবল এদেশ গৃহযুদ্ধের শঙ্কা থেকে মুক্ত হতে পারে, পরমত সহিষ্ণুতার গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি ফিরে পেতে পারে- স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ হয়ে উঠতে পারে গণতান্ত্রিক বিশ্বের পথিকৃৎ। দুটো দল না থাকলে বিরাজনীতিকরণ কিংবা একটি দল না থাকলে অপর দলটির জন্য এক দলীয় শাসন; সব অর্থেই রাজনীতিহীনতার প্রতিরোধে জাতীয় পরিষদ পাস করার মধ্যদিয়ে অনবদ্য বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা কী শ্রেয় নয়?

রাজনৈতিক দলসহ যারা মতামত দিচ্ছেন এবং বিচার বিশ্লেষনপূর্বক তা গৃহীত বা বিধি হিসেবে প্রণয়ন করবেন, তন্মধ্যে প্রত্যক্ষ রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা বা অভিজ্ঞান যেমন থাকে কেবল রাজনৈতিক দল সমূহের তেমনি বিধি-বিধানগুলো প্রত্যক্ষভাবে বহনও করতে হয় প্রধানত রাজনৈতিক দলসমূহকেই এবং তা কোনো একটি দল নয় বরং সব দলকেই। এক্ষেত্রে যেকোনো প্রয়োজনে যে কোনো সময় যে কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলকে ডেকে নির্বাচন কমিশন বসতেই পারেন পক্ষান্তরে বিধি মোতাবেক (Representation of the People Order, 1972 এর 90F(1)( e)) রাজনৈতিক দলগুলোও তা পারে। কিন্তু পারস্পরিক সম্পর্কের বিধিবদ্ধতায় সমন্বিত রূপ বা যৌথ করণের শর্ত বিযুক্ত থাকায় তা অনানুষ্ঠানিক বা অপ্রাতিষ্ঠানিক হিসেবে নির্দিষ্ট হয়ে পড়ে। অথচ বিধিগুলো প্রণীত হওয়ার পূর্বে সম্মিলিত বা যৌথের প্রাতিষ্ঠানিক কোনো শর্ত থাকছে না তথা বহনের ক্ষেত্রে সম্মিলিত হলেও আনুষ্ঠানিক ক্ষেত্রে কোনো সমন্বিত বা যৌথ করণের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ অনুপস্থিত বা প্রাতিষ্ঠানিক শর্ত বিযুক্ত। এতে করে বিধিগুলো যদি বাস্তবতা বিবর্জিত বা বাজে কথার ফুলের চাষও হয়ে থাকে তবুও তা বাস্তবায়িত না হওয়ার ব্যর্থতা কেবল রাজনৈতিক দলগুলোর কাঁধেই বর্তায়।

এক কথায়, প্রত্যক্ষ জনসম্পৃক্ত রাজনীতিতে কেবল রাজনৈতিক দলগুলো থাকে বলেই সে প্রাসঙ্গিক অভিজ্ঞতা বা বাস্তবনিষ্ঠতা তাঁদেরই থাকে এবং নির্বাচন কমিশন কর্তৃক প্রণীত এ সংশ্লিষ্ট কোন বিধি শুধু রাজনৈতিক দলগুলোকেই বহন করতে হয় আর যেহেতু তা কোনো একটি বিশেষ দল নয় বরং সকল দলকেই বহন করতে হয় তাই তা প্রনীত হওয়ার পূর্বে সমন্বিত সভা মারফত সম্পন্ন হলেই সেটা অধিকতর বাস্তবসম্মত বা যথাযথ হতে পারে এবং নিবন্ধন শর্তে একতরফা বিধি প্রণীত হওয়ার পথ ধরে ও যথারীতি তা বহন করার বাধ্যবাধকতা ভিন্নার্থে- রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য ‘আমলাতান্ত্রিক মুচলেকা’ দেয়ার সমার্থক হয়ে ওঠে অথচ ‘দেশ যাঁরা চালান দলও তাঁরাই চালান’।

সেক্ষেত্রে, নির্বাচন কমিশন এবং নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল সমূহের পারস্পরিক সম্পর্কের যৌথ বা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ আসতে পারে ‘জাতীয় পরিষদ’ গঠনের মধ্যে দিয়ে। এক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন ও নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল সমূহের পারস্পরিক এই যৌথ সভা বা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ তথা জাতীয় পরিষদ পক্ষান্তরে রাজনৈতিক দল সমূহের জন্য ‘সমন্বিত সভা’র রূপ পরিগ্রহ করবে।

জাতীয় পরিষদ
———————
‘পরমত সহিষ্ণুতা’ গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি হিসেবে নির্দিষ্ট হলেও গণতন্ত্র বা বহুদলীয় শাসন ব্যবস্থা স্থিতিশীলতা লাভ করে কেবল প্রাতিষ্ঠানিকতার মধ্যে দিয়ে। যেখানে এই প্রাতিষ্ঠানিকতার দিকটি গড়ে ওঠে না সেখানেই গনতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা অস্থিতিশীল হয়ে থাকে এবং যথারীতি পরমত সহিষ্ণুতা তথা রাজনৈতিক দলসমূহের পারস্পারিক বিশ্বাস-আস্থার দিকটা এগুতে পারে না। প্রস্তাবিত, নির্বাচন কমিশন ও নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল সমূহের পারস্পারিক এই যৌথ সভা বা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ তথা জাতীয় পরিষদ- যা রাজনৈতিক দল সমূহের জন্য সমন্বিত সভা হিসেবে গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির অনিবার্য শর্তকে পূরণ করে।

আমরা আইন না করে সার্চ কমিটি গঠন করি, নিজেদের পারস্পারিক বিশ্বাস-আস্থার ঘাটতি পূরণ করতে সংসদে বসে ঠান্ডা মাথায় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের তত্ত্ব পাশ করি, এমনকি তার ফ্রাঙ্কেনস্টাইন রূপ দেখেও এখনও আমরা কেউ কেউ সহায়ক সরকারের দাবী করছি কিংবা সরকার হিসেবে সহায়তাও করতে চাচ্ছি অথচ ইতোমধ্যে তা অ-সাংবিধানিক হিসেবে প্রমাণিত। তথাপিও যে শর্তে সহায়তা করা যায় সে শর্তেই কেউ সহায়ক সরকারের দাবী তুলতেই পারে। মূখ্যত নির্বাচন কমিশন দুটো মন্ত্রণালয়ের হয়ে সরকারমুখীন থাকে। মুক্তিজোট নিবন্ধন সার্টিফিকেট হাতে নিয়ে প্রথম মিডিয়া ব্রিফিং এ কমিশনের বারান্দায় দাড়িয়ে বলেছিল নির্বাচন কমিশনের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতাসহ নির্বাচনকালীন সময়ে স্বরাষ্ট্র এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় নির্বাচন কমিশনকে দেওয়ার আইন পাশ করতে হবে। ইতোমধ্যে ২টি নির্বাচন হয়ে গেছে, আরেকটি নির্বাচন আসন্ন, সহায়তা করার সদিচ্ছাটুকু নির্বাচন পর্যন্ত প্রতীক্ষায় কেন? বরং সে আইনটা পূর্বে করলেই তো এমন অ-সাংবিধানিক বিষয়টা উঠে আসার সুযোগ পেত না বা পায় না। আমরা রাজনীতি করি, সরকার গঠন করি কিন্তু প্রাতিষ্ঠানিকতাকে আমলে নিতে চাই না। অথচ গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা শুধু প্রাতিষ্ঠানিক রূপদানের মধ্যে স্থিতিশীল হতে পারে এবং তা প্রায় একমাত্র পথ হিসেবে বহুদলীয় শাসন ব্যবস্থার ক্ষেত্রে স্বতঃসিদ্ধ হয়ে উঠছে সেটা আমরা যেনো ভাবতেই চাচ্ছি না।

জাতীয় পরিষদ-এর গঠন বা কাঠামোগত দিশাঃ

নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলসমূহের দলীয় সভাপতি ও সাধারনসম্পাদকদের সমন্বয়ে গঠিত হবে জাতীয় পরিষদ। জাতীয় পরিষদের সাধারণ কর্ম নির্বাহের জন্য আহ্বায়ক হিসেবে নির্দিষ্ট থাকবেন পদাধিকার বলে মাননীয় প্রধান নির্বাচন কমিশনার। আর উক্ত জাতীয় পরিষদের প্রধান তথা চূড়ান্ত নির্দেশদানকারী কর্তৃত্বে থাকবেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি।

যুক্তিবিধানঃ-

প্রথমতঃ- সংসদে থাক বা না-থাক কোনো রাজনৈতিক দল নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত হওয়ার শর্তে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক গৃহীত বিধি বিধানের আওতার বাইরে থাকতে পারে না। সে অর্থেই জাতীয় পরিষদের প্রাতিষ্ঠানিক যুক্তিযুক্ততা গৃহীত হয় এবং জাতীয় পরিষদ গঠিত হলেও এক্ষেত্রে এই যুক্তিযুক্ততার কারণে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধান- এর অনুচেছদ ১২৪ এর কোনো ব্যত্যয় ঘটে না।

দ্বিতীয়তঃ রাজনৈতিক দল মাত্রই প্রত্যক্ষ জনগণ সংশ্লিষ্ট তথা জণগণের মধ্যে তাকে ফিরতেই হয়। জনগণের প্রতি এই দায়বদ্ধতার বৈশিষ্ট্যের কারণেই প্রাতিষ্ঠানিক এই স্বীকৃতিটা যুক্তিযুক্ততা পায়। কারণ যারা নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করেন তাঁরা কোনো না কোনো রাজনৈতিক দল বা দলের প্রতিনিধিত্ব করেন।

অতএব, উপরোক্ত আলোচনার ভিত্তিতে আমাদের সিদ্ধান্ত- নির্বাচন কমিশনের সাথে রাজনৈতিক দলসমূহের পারস্পরিক সম্পর্কের প্রাতিষ্ঠানি রূপ দান তথা জাতীয় পরিষদ গঠন করে বিধি-বিধানগুলো পুনঃনির্দিষ্ট বা সংস্কার করতে হবে।

নির্বাচনকালীন সময়ে মহামান্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সংসদ ভেঙে দিয়ে উক্ত প্রাতিষ্ঠানিক রূপে সম্মিলিত রাজনৈতিক ফোরাম বা জাতীয় পরিষদে দলীয় প্রধানদের মধ্যে যিনি ইতোপূর্বে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন এমন কাউকে ‘নির্বাহী প্রধান’ নিযুক্ত করা মাত্রই উক্ত সর্বদলীয় ফ্রন্টই অন্তর্বর্তী বা নির্বাচনকালীন প্রাতিষ্ঠানিক সরকারের ভূমিকায় Suo Moto Government হিসেবে সক্রিয় হয়ে উঠবে।
অতএব, নির্বাচনকালীন সময়ে অন্তর্বর্তী সরকারের Suo Moto Government ভূমিকায় উক্ত নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্ট সর্বদলীয় বা জাতীয় পরিষদই কেবল সংবিধান সম্মত হিসেবে গৃহীত হয়।

পুনশ্চঃ স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের স্বপ্ন বুকে নিয়ে যাঁরা আত্মাহুতি দিয়েছিলেন আজকের আধুনিক বাংলাদেশ তাঁদের স্বপ্নেরই বিনির্মাণ হক। উপস্থিত সকলকে মুক্তিজোটের পক্ষথেকে সংগ্রামী শুভেচ্ছা।

কমিশন কর্তৃক আয়োজিত মতবিনিময় সভায় মুক্তিজোটের সংগঠন প্রধান- আবু লায়েস মুন্না, পরিচালনা বোর্ড প্রধান- মোঃ শাহজামাল আমিরুল, কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির সদস্য – মোঃ মজিবুল হক, মোঃ আসাদুজ্জামান, মোঃ আব্দুল্লাহ্ আল্ মামুন, মোঃ জাবের আলী, মোঃ তরকিুল ইসলাম, মোঃ আবু রাশেদ রুবেল, মোঃ সজীব-উল-ইসলাম সিদ্দিকী, উত্তম কুমার ঘোষ, মোঃ মামুন রেজা, মোঃ বিদ্যুৎ হোসেন ও তানিয়া আফরোজ সহ কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© ২০-২২ কপোতাক্ষ নিউজ । এই ওয়েবসাইটের কোনো কন্টেন্ট অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি

ডেভলপমেন্ট এন্ড মেইনটেন্যান্স: মোঃ জহির উদ্দীন