1. mohsinlectu@gmail.com : mahsin :
  2. zahiruddin554@gmail.com : Md. Zahir Uddin : Md. Zahir Uddin
মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১, ০৬:৫৯ অপরাহ্ন
বিশেষ বিজ্ঞপ্তিঃ
কপোতাক্ষ নিউজে আপনাকে স্বাগতম! (খালি থাকা সাপেক্ষে) দেশের সকল বিভাগ, জেলা, উপজেলা, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস সহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যোগাযোগ: ০১৭২৭-৫৬৭৯৭৬

ঐতিহাসিক টি-২০ সিরিজ জিতলো বাংলাদেশ!

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময়ঃ শুক্রবার, ৬ আগস্ট, ২০২১
  • ১৭৪ বার পড়া হয়েছে

প্রথম ম্যাচে ১৩১ রানের সম্বল নিয়েও জিতেছিল বাংলাদেশ। সেটা ছিল নিজেদের সবচেয়ে কম রান করে জেতার রেকর্ড। আজ তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে জিততে হলে সে রেকর্ডটাও ভাঙতে হতো মাহমুদউল্লাহর দলকে। বৃষ্টিতে দেরিতে শুরু হওয়া ম্যাচে যে ১২৭ রানেই গুটিয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ!

মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে শেষ পর্যন্ত রেকর্ড গড়েই অস্ট্রেলিয়াকে বাংলাদেশ হারিয়েছে ১০ রানে। আর এই জয়ে পাঁচ টি-টোয়েন্টির সিরিজ বাংলাদেশ নিশ্চিত করে ফেলল দুই ম্যাচ বাকি থাকতেই। আগামীকাল ও ৯ আগস্টের শেষ দুটি ম্যাচ এখন শুধুই আনুষ্ঠানিকতা।

অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই ম্যাথু ওয়েডকে নাসুম আহমেদ ফিরিয়ে দিলেও মিচেল মার্শ এবং বেন ম্যাকডারমটের জুটি অস্ট্রেলিয়াকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিল অনেক দূর। এরপর গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সাকিব আল হাসানের দেওয়া ব্রেক থ্রু, পরে মোস্তাফিজুর রহমান-শরীফুল ইসলামের দুর্দান্ত ডেথ ওভারের বোলিংয়ে শেষ পর্যন্ত শেষ হাসি হেসেছে বাংলাদেশই।

এদিন অস্ট্রেলিয়া মাঠে নেমেছিল একাদশে তিন পরিবর্তন নিয়ে, কৌশলেও ছিল স্পষ্ট পরিবর্তন। ওপেনিংয়েই স্পিনার এনেছিলেন অধিনায়ক ওয়েড। বাংলাদেশের দুই ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম ও সৌম্য সরকার ফিরে গিয়েছিলেন দলীয় মাত্র ৩ রানের মাথায়। সাকিব আল হাসান ও মাহমুদউল্লাহর ৪৪ রানের জুটি সে চাপ সামাল দিলেও সাকিব ফিরেছিলেন অসময়ে। আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ১৫ বছর পূর্তির দিন ১৭ বলে ২৬ রান করে ফিরেছেন তিনি।

এরপর আফিফ হোসেন ও নুরুল হাসানের রান-আউট, মাঝে শামীম হোসেনের উইকেট চাপ আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশের ওপর। আফিফ ও নুরুল ঝোড়ো শুরু করেছিলেন, তবে দুজনকেই ফিরতে হয়েছে সরাসরি থ্রো-তে। শামীম পিষ্ট হয়েছিলেন শুরুতেই ডট বলের চাপে। অন্যদিকে অবশ্য টিকে ছিলেন মাহমুদউল্লাহ। প্রথম ৩৮ বলে ৩০ রান করলেও ফিফটিতে গিয়েছিলেন ৫২ বলে। তবে শুধু তাঁর নয়, আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশেরই মন্থরতম ফিফটি সেটি।

তবে শেষ পর্যন্ত অধিনায়কের ওই ফিফটিতেই ১২৭ পর্যন্ত গিয়েছিল বাংলাদেশ। এর আগে অবশ্য হয়েছে ইতিহাসও। টি-টোয়েন্টিতে অভিষেকেই হ্যাটট্রিক পাওয়া প্রথম বোলার হয়ে গেছেন নাথান এলিস, মাহমুদউল্লাহর পর মোস্তাফিজুর রহমান ও মেহেদী হাসানের উইকেট নিয়ে।

রান তাড়ায় অন্তত প্রথম ওভারটা তুলনামূলক বেশ ইতিবাচকই হয়েছিল অস্ট্রেলিয়ার। বেন ম্যাকডারমটের সঙ্গে এসেছিলেন ম্যাথু ওয়েড। মেহেদীর প্রথম ওভারে ৮ রান তুলেছিলেন ম্যাকডারমট। অবশ্য দ্বিতীয় ওভারেই নাসুম আহমেদ ফিরিয়েছেন ওয়েডকে, আরেকবার লেগ সাইডের বলে মারতে গিয়ে আউট হয়েছেন অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক।

মার্শ ও ম্যাকডারমট এরপর গড়েছেন ৬৩ রানের জুটি। সে জুটি ভেঙেছেন সাকিব। এর আগেই শরীফুলের হাতে জীবন পাওয়া ম্যাকডারমট ফিরেছেন ৩৫ রান করে। পরের ওভারে শরীফুল এসে ফিরিয়েছেন ময়েজেস হেনরিকেসকে। তবে ইনিংসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উইকেটটা শরীফুল নিয়েছেন ইনিংসের ১৮তম ওভারে। মার্শ তাঁর বলে ক্যাচ তুলেছেন ৪৭ বলে ৫১ রান করার পর।ততক্ষণে রান ও বলের ব্যবধান বেড়ে গেছে বেশ খানিকটা। এর ওপর মোস্তাফিজুর রহমান ১৯তম ওভারে এসে দিয়েছেন মাত্র ১ রান! ৪ ওভারে ৯ রান নিয়ে বোলিং শেষ করেছেন এই বাঁহাতি পেসার। শেষ ওভারে প্রয়োজন ছিল ২২ রান। প্রথম বলেই মেহেদী হাসানকে ছয় মেরেছিলেন অ্যালেক্স ক্যারি, আর চতুর্থ বলে লেংথে গড়বড় করে ফুলটসে একটা নো-ও করেছিলেন মেহেদী হাসান। তবে ১১ রানের বেশি দেননি। বাংলাদেশও তাতে পেয়েছে ঐতিহাসিক জয়। (তথ্যের উৎসঃ প্রথম আলো)

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© ২০২১ কপোতাক্ষ নিউজ । এই ওয়েবসাইটের কোনো কন্টেন্ট অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
ডেভলপমেন্ট এন্ড মেইনটেন্যান্স: মোঃ জহির উদ্দীন