1. mohsinlectu@gmail.com : mahsin :
  2. zahiruddin554@gmail.com : Md. Zahir Uddin : Md. Zahir Uddin
সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৬:১৫ পূর্বাহ্ন
বিশেষ বিজ্ঞপ্তিঃ
কপোতাক্ষ নিউজে আপনাকে স্বাগতম! (খালি থাকা সাপেক্ষে) দেশের সকল বিভাগ, জেলা, উপজেলা, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস সহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যোগাযোগ: ০১৭২৭-৫৬৭৯৭৬

কালীগঞ্জ সরকারী মাহতাব উদ্দিন ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষর দুর্নীতীর কারণে বেতন পাচ্ছে না ৯৮ জন শিক্ষক-কর্মচারী

সম্রাট হোসেন, বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেটের সময়ঃ রবিবার, ৮ আগস্ট, ২০২১
  • ১০৭ বার পড়া হয়েছে

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ সরকারী মাহতাব উদ্দিন ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষর অনিয়ম, দূনীতি ও স্বৈরাচারিতার কারনে কলেজের শিক্ষক নিয়াগে ঘুষ নেওয়াসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগ এনে কলেজের গভর্নিং কমিটির সদস্যরা তাকে বহিস্কার করেছেন। কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি সদ্য বদলি হওয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার সূবর্না রানী সাহা তদন্ত পূর্বক তার বিরুদ্ধে বিভিন অনিয়ম ও দূর্নীতির সত্যতা পান। কলেজের ৯৮ জন শিক্ষক কর্মচারির বেতন ভাতা বন্ধ রয়েছে সাবেক অধ্যক্ষ ড. মাঃ মাহবুবুর রহমানের খামখেয়ালি পনার কারনে। ২০১৬ সালর ২৪ জুন কলেজের গভর্ণিং বডি প্রথম তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেন। পক্ষান্তরে ২০১৬ সালর ১৪ জুলাই অধ্যক্ষ ড. মাঃ মাহবুবুর রহমানকে চুড়ান্ত বরখাস্ত করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় পত্র প্রেরন করেন এবং ২০১৬ সালর ২৪ জুন থেকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষর দায়িত্ব গ্রহন করেন আব্দুল মজিদ মন্ডল। দূনীতিবাজ মাহবুবুর রহমান হাইকোর্টে একটি মামলা করেন। পরবর্তীতে সাবেক অধ্যক্ষ মাহবুবুর রহমান রিট মামলার আদেশে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬/৫/২০২১ তারিখে ৪৩৫৯৮(৪) নং স্বাক্ষরপত্র, শিক্ষা মন্ত্রনালয়ে ৩১৭/১৯ তারিখে ২২০/১(৯) স্বাক্ষর নির্দেশে এবং মাধ্যমিক ও উচ শিক্ষা অধিদপ্তরের ৭/৮/২০১৯ তারিখের ৩২৩২/৮ স্বাক্ষরে অধ্যক্ষ মাহবুবুর রহমান ৮/৮/২০১৯ তারিখ সরকারী মাহতাব উদ্দিন ডিগ্রী কলেজের সভাপতি কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সূবর্না রানীর নিকট যোগদান পত্র দাখিল করেন। দাখিলকৃত কাগজ পত্র দেখে সভাপতির সন্দেহ হয়। পরবর্তীতে সভাপতি তাকে যোগদান না করিয়ে তদন্তের জন্য প্রয়াজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চিঠি প্রেরন করেন। এ ছাড়া সাবেক অধ্যক্ষ মাহবুবুর রহমান যোগদানপত্রর সাথে সংযুক্ত হাইকোর্টের রায়, কলেজের নামকরন মিল না থাকা, ভুয়া স্বাক্ষর করা কাগজপত্র দাখিল করেন। কাগজপত্র দেখে সভাপতির সন্দেহ হলে তিনি যোগদানপত্র গ্রহন করেননি। সংশোধিত করে যোগদানর জন্য লিখিত আদেশ দেন। সাবেক অধ্যক্ষ হাইকোর্টে মামলা করার আদেশের রায় তার বিপক্ষে যায়। তিনি কাগজপত্র জাল জালিয়াতি করে, স্বাক্ষর জাল করে যোগদান করতে আসে। অদ্যবধি ২০২১ সালের আগষ্ট মাস পর্যন্ত প্রয়াজনীয় ও সংশাধিত কাগজ পত্র দাখিল করতে ব্যার্থ হওয়ায় তিনি যোগদান করত আসেন নাই। তারই কারনে অত্র কলেজের ৯৮ শিক্ষক কর্মচারি বেতন ভাতা পাচ্ছেন না। অধ্যক্ষ পদে যোগদান করে তিনি বিভিন সময় কলেজে উৎকোচ গ্রহন করে শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এছাড়া কলেজের আয়ের টাকাও আত্মসাৎ করেছেন প্রায় ২২ লাখ টাকা। ঝিনাইদহ ৪ আসনের এমপি আনোয়ারুল আজীম আনার ২০১৬ সালের ২০ জুলাই সুপ্রিম কোর্টে একটি রিট করেন যার নং ১২২৬১/১৯। সেই রিটের বিরুদ্ধে মহামান্য সুপ্রিম কোর্টে সাবেক অধ্যক্ষ ড. মাঃ মাহবুবুর রহমান রায়ের বিরুদ্ধে আফিল দায়ের করেন। দায়েরকৃত আফিল অদ্যবধি পর্যন্ত শুনানি হয়নি। সাবেক অধ্যক্ষ ড. মাঃ মাহবুবুর রহমান ২০০৮ সালের ৩১ জানুয়ারি যোগদান করেন। যোগদানর এক বছর পর তার বকেয়াসহ তার এমপিও হয়েছিল ৯ কাড। দুই বছর পর তার এমপিও হয়েছিল ৪ কাড। কিছুদিন যোগদানের পর থেকে তিনি পরিচালনা পরিষদের অনুমোদন ছাড়াই ৪ কাড প্রদত্ত ২০% বেতন ছাড়া ও অধিক হারে বেতন ভাতা উত্তোলন করেছেন। সে ক্ষেত্রে তিনি ১ লাখ ৩ হাজার ১৮০ টাকা অতিরিক্ত উত্তোলন করেন। অধ্যক্ষ মাহবুবুর রহমানের আত্মসাতকৃত টাকার মধ্যে উল্লেখযাগ্য হলো, অনার্স ভবন মেরামত কাজের বাবদ ১৫ লক্ষ ২২ হাজার টাকা, ২০১১ সালের ছাত্র ছাত্রী ভর্তি বাবদ ৫৫ হাজার টাকা, যাতায়াত বাবদ ৫৫ হাজার টাকা, সোনালী ব্যাংকে ২ লাখ ৬৪ হাজার টাকা জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করেন। ২০১৫ সালে কলেজে আয় দেখানো হয়েছে ৯১,৫৮৫৮৭ টাকা, ব্যায় দেখানো হয়েছে ৮৫০৩৭৯৩ টাকা। অবশিষ্ট ৬ লাখ ৫৪ হাজার ৭৯৪ টাকা তিনি আত্মসাৎ করেছেন। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত সাবেক অধ্যক্ষ ড. মাঃ মাহবুবুর রহমানের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে একটি মহল অপপ্রচার চালাচ্ছে। যে সব মিথ্যাচার করা হয়েছে তার কোন সত্যতা নাই।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© ২০২১ কপোতাক্ষ নিউজ । এই ওয়েবসাইটের কোনো কন্টেন্ট অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
ডেভলপমেন্ট এন্ড মেইনটেন্যান্স: মোঃ জহির উদ্দীন