1. mohsinlectu@gmail.com : mahsin :
  2. zahiruddin554@gmail.com : Md. Zahir Uddin : Md. Zahir Uddin
শনিবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২২, ০২:৫১ অপরাহ্ন
বিশেষ বিজ্ঞপ্তিঃ
 কপোতাক্ষ নিউজে আপনাকে স্বাগতম! (খালি থাকা সাপেক্ষে) দেশের সকল বিভাগ, জেলা, উপজেলা, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস সহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যোগাযোগ: ০১৭২৭-৫৬৭৯৭৬ ## ঝিকরগাছা উপজেলার ভিতর ইংরেজি টিউটর দিচ্ছি, যোগাযোগঃ ০১৯১৮ ৪০৮৮৬৩,mohsinlectu@gmail.com 

ঝিকরগাছা স্টেশনের টিকিট কালোবাজারী সেই ইমদাদুলের আবারও আনাগোনা

রিপোর্টার
  • আপডেটঃ বৃহস্পতিবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২২
  • ৩২ বার পড়া হয়েছে

আফজাল হোসেন চাঁদ : ঝিকরগাছা রেলওয়ে স্টেশনে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহযোগিতায় স্টেশন ক্যাম্পাসে ইমদাদুল আবারও আনাগোনা পাওয়া যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার সময় রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টারকে খুঁজে পাওয়া না গেলেও ইমদাদুলকে মাস্টারের চেয়ারের পাশে বসে থাকতে দেখা গেছে। বাংলাদেশ রেলওয়ে সংস্থার পশ্চিমাঞ্চল কতৃক পরিচালিত ঝিকরগাছা রেলওয়ে স্টেশনে স্টপেজের দাবিতে ও অত্যাধুনিক রেক বদলে পুরোনো রেক দিয়ে চালু করার প্রতিবাদে স্থানীয় অরাজনৈতিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সেবা’র উদ্যোগে যশোর জেলার সর্বস্তরের মানুষ তার প্রতিবাদে রেলওয়ে স্টেশনে মানববন্ধন করেন। স্টপেজের দাবিতে মানববন্ধন করা হলে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ দাবিটাকে আমলে নিয়ে ঝিকরগাছা রেলওয়ে স্টেশনে স্টপেজের ব্যবস্থা সহ ৫৫টি সিট বরাদ্দ দেয়। পরবর্তীতে করোনার পর সিট সংখ্যা কমিয়ে ৪০টি করা হয়, যার ২০টি অনলাইন এবং ২০টি স্টেশন থেকে সরবরাহ করা হয়। ট্রেনে মাত্র ২০টি সিট বরাদ্দ থাকায় এই টিকেট পাওয়ার জন্য এতদাঞ্চলের মানুষ আরামদায়ক ভ্রমনের আশায় প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়। আর এই সুযোগটিই গ্রহন করেছে একটি অসাধু চক্র। তারা খুব কৌশলে ট্রেনের টিকেট গুলো নিজেরা সংগ্রহ করে নেয় এবং সুযোগ বুঝে যাত্রীদের কাছে ২গুন থেকে ৩গুন দামে বিক্রয় করা সেই ইমদাদুল আবারও আনাগোনা পাওয়া যাচ্ছে ঝিকরগাছা রেলওয়ে স্টেশনে। পূর্বে যখন ইমদাদুলের নিকট জানতে চাওয়া হলে তিনি কে, তিনি রেলওয়ে স্টেশনে কি করছে এবং তিনি রেল স্টেশনের সরকারি কোন কর্মকর্তা কি না জানতে চাওয়া হলে, সে জানায় টিকেট বুকিং সহকারী মেহেদী হাসান জেমস তাকে ব্যক্তিগতভাবে নিয়োগ দিয়েছে। যার জন্য সে রেলওয়ে স্টেশন তদারকির দায়িত্ব পালন করছে। তিনি সরকারের কোনো কর্মচারী নন, নেই কোনো নিয়োগপত্র, রেলওয়ে দপ্তরের সাথে কোনো সম্পর্ক নেই, পেশায় ছিলেন দর্জি অথচ এখন তার হাতে রেলওয়ে স্টেশনের চাবি থাকে। ইমদাদুলের নিকট থেকে শুনতে অবাক লাগলো তার বেতন দেয় টিকিট বুকিং সহকারী নিজে। টিকিট বুকিং সহকারী মেহেদী হাসান জেমস কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হওয়ার পরই তার কপাল খুলে গেছে। সে রেলওয়ে স্টেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত হওয়ার কারণে তার কাছে রেলওয়ে স্টেশনের সকল চাবিকাঠি থাকে। এই বিষয় নিয়ে জাতীয়, স্থানীয় দৈনিক পত্রিকা ও অনলাইন প্রিন্ট মিডিয়াতে এই স্টেশন নিয়ে একাধিকবার সংবাদ প্রকাশ হওয়ায় গত ১ জুন বিভাগীয় রেলওয়ে কর্মকর্তা (পশ্চিমাঞ্চল) স্বাক্ষরিত একটি দাপ্তরিক চিঠির মাধ্যমে রেলওয়ে স্টেশনের টিকিট বুকিং সহকারী মেহেদী হাসান জেমসকে রাজশাহী বিভাগের চাপাইনবাবগঞ্জ জেলার রহনপুর স্টেশনে বদলি করেছে রেল মন্ত্রণালয়। তখন রেলওয়ে স্টেশনের মাস্টার নিগার সুলতানা মার্তৃত্বকালীন ছুটিতে ছিলেন। বর্তমানে ছুটি শেষে চাকরীতে যোগদান করার পর আবারও ইমদাদুলের কার্যক্রম বেড়ে গেছে। তার বিরুদ্ধে রেলওয়ে স্টেশনের টিকিট কালোবাজারি সিন্ডিকেট মুলহোতাকে আবারও পরিকল্পিত ভাবে কাজ পরিচালনা করতে দেখা গেছে। এই ইমদাদুলের কারণে এলাকার রেল যাত্রীদের চরম ক্ষতিগ্রহস্ত হয়ে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের উপর আস্থা উঠে যাচ্ছে।

ইমদাদুলের নিকট স্টেশনে আশার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, সব মাস্টার জানেন।
রেলওয়ে স্টেশনের মাস্টার নিগার সুলতানা বলেন, সে অফিসিয়াল ভাবে থাকে না। আমার পারসোনাল ভাবে থাকে। ইমদাদুল টিকিট কালোকবাজারী করে এই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোনো উত্তর দেননি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© ২০-২২ কপোতাক্ষ নিউজ । এই ওয়েবসাইটের কোনো কন্টেন্ট অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি

ডেভলপমেন্ট এন্ড মেইনটেন্যান্স: মোঃ জহির উদ্দীন