1. mohsinlectu@gmail.com : mahsin :
  2. zahiruddin554@gmail.com : Md. Zahir Uddin : Md. Zahir Uddin
মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১, ০৬:৪৮ অপরাহ্ন
বিশেষ বিজ্ঞপ্তিঃ
কপোতাক্ষ নিউজে আপনাকে স্বাগতম! (খালি থাকা সাপেক্ষে) দেশের সকল বিভাগ, জেলা, উপজেলা, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস সহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যোগাযোগ: ০১৭২৭-৫৬৭৯৭৬

নওগাঁর আত্রাইয়ে শখের বশে ড্রাগন চাষ করে  স্বাবলম্বী মান্নান

মোঃ ফিরোজ হোসাইন রাজশাহী ব্যুরো
  • আপডেটের সময়ঃ বৃহস্পতিবার, ১২ আগস্ট, ২০২১
  • ৭৮ বার পড়া হয়েছে
শখের বশে ড্রাগন চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন নওগাঁর আত্রাই উপজেলার মোল্লাপাড়া গ্রামের আব্দুল মান্নান মুন্টুর। বাড়ির আঙিনায় চারদিকে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছে ড্রাগন ফল গাছ। সবুজ গাছে শোভা পাচ্ছে গোলাপি, লাল আর সবুজ ফল। নিজ ঘরের আঙিনায় বিদেশি ফলের চাষ করে সফলতা পেয়েছেন। সফলতা দেখে প্রতিবেশীরাও ঝুঁকছেন ড্রাগন চাষে। বিদেশী ফল হওয়ায় উৎসাহ নিয়ে প্রতিদিন প্রায় ১০/১২জন লোক দেখতে আসছে।
সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, নিজ ঘরের আঙিনায় ১৫টি বিদেশি ড্রাগন ফলের সারিসারি সবুজ গাছ। বাগানে প্রতিনিয়ত পরির্চচা ব্যস্ত রয়েছেন মান্নান। এর পাশাপাশি কলা, লিচু, পেয়ারা, কাগজি লেবু, পেঁপেসহ অন্যান্য ফলের বাগান করেও সফলতা পেয়েছেন মান্নান।
এক প্রশ্নের জবাবে মান্নান জানান, কয়েক বছর আগে কৃষক উদ্ধুদ্ধকরণ  প্রশিক্ষন টুরে আমি নাটোরে যাই। সেখানে কামরুজ্জামান নামের ব্যক্তির বাগান দেখে উদ্ধুদ্ধ হই। পরে নওগঁার বদলগাছী উপজেলার হটিকালচার সেন্টা থেকে চারা নিয়ে নিজ আঙ্গিনায় রোপন করি। মাত্র ৬ মাসেই গাছে ফল আসায় আমি অবাক হয়ে যাই। যত্ন নিতে থাকি গাছগুলোর। আমার ১৫টির মতো গাছ রয়েছে। এবার প্রায় ১৫ থেকে ২৫ হাজার বিক্রি করেছি। এ বছর আরও ৪০ হাজার টাকার মতো ফল বিক্রি করতে পারব বলে আশা করছি। এছাড়া ড্রাগন গাছের কাটিং দিয়ে চারা তৈরি করে বিক্রি করছি। তা দিয়েও ভালো আয় হচ্ছে আমার।
তিনি আরও জানান, ড্রাগন একটি বহুবর্ষজীবী ফল। খুঁটি পদ্ধতিতে একটি খুঁটিতে চারটি চারা রোপণ করতে হয়। রোপণের পর ফল আসতে সময় লাগে মোটামুটি ১৮ মাস। ফল আসা পর্যন্ত খুঁটি প্রতি খরচ পড়ে গড়ে ৫শত টাকা। ড্রাগন ফলের মৌসুম শুরু হয় এপ্রিল মাস হতে আর একটানা নভেম্বর মাস পর্যন্ত কয়েক দফায় ফল আসে। ফুল আসার ৩০ থেকে ৩৫ দিনের মাথায় ড্রাগন তোলা যায়। এক নাগাড়ে প্রায় ৫ থেকে ৬ মাস ফল সংগ্রহ করা যায়। ড্রাগন গাছে মূলত জৈব সার ও সেই সঙ্গে সুষম মাত্রায় রাসায়নিক সার এবং পিঁপড়া দমনে কীটনাশক ব্যবহার করতে হয়। ক্যাকটাস গোত্রের এই ফলের গাছ দেখে সবাই একে সবুজ ক্যাকটাস বলেই মনে করেন। সাধারণত মধ্য আমেরিকায় এ ফল বেশি পাওয়া যায়। ড্রাগন ফল দেখতেও খুব আকর্ষণীয়। এর স্বাদ হালকা মিষ্টি।
প্রতিবেশী খলিল ও মোবারক জানান, মান্নানের বাড়ির উঠোনে যে পরিমাণ ড্রাগন হয়েছে আমরা দেখে অবাক হয়েছি। ফলের দামও অনেক ভাল। এবছর ৩‘শ থেকে সাড়ে ৪শ টাকা বিক্রি করেছেন। অন্য ফসলের তুলনায় ড্রাগন চাষ লাভজনক।
উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা কেরামত আলী  বলেন, চারা লাগানোর এক বছরের মধ্যে ফল আসতে শুরু করে। পুষ্টিগুণ, আকার-আকৃতি ও দামের কারণে বাজারে এই ফলের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। ক্যাকটাস জাতীয় গাছ হওয়ায় রোগ বালাইও কম। তাই সহজে এই ফল চাষ করতে পারে।
আত্রাই উপজেলা কৃষি অফিস অফিসার কেএম কাওছার হোসেন জানান, ড্রাগন একটি বিদেশি ও জনপ্রিয় ফল। পুষ্টিগুণ ও দামের কারণে বাংলাদেশসহ বিশ্ব বাজারে এই ফলের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। আত্রাইয়ে ড্রাগন বাগান সম্প্রসারণের লক্ষ্যে কাজ করছে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© ২০২১ কপোতাক্ষ নিউজ । এই ওয়েবসাইটের কোনো কন্টেন্ট অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
ডেভলপমেন্ট এন্ড মেইনটেন্যান্স: মোঃ জহির উদ্দীন