1. mohsinlectu@gmail.com : mahsin :
  2. zahiruddin554@gmail.com : Md. Zahir Uddin : Md. Zahir Uddin
বৃহস্পতিবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২২, ০১:৪২ অপরাহ্ন
বিশেষ বিজ্ঞপ্তিঃ
 কপোতাক্ষ নিউজে আপনাকে স্বাগতম! (খালি থাকা সাপেক্ষে) দেশের সকল বিভাগ, জেলা, উপজেলা, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস সহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যোগাযোগ: ০১৭২৭-৫৬৭৯৭৬ ## ঝিকরগাছা উপজেলার ভিতর ইংরেজি টিউটর দিচ্ছি, যোগাযোগঃ ০১৯১৮ ৪০৮৮৬৩,mohsinlectu@gmail.com 

না.গঞ্জে সোনারগাঁয়ে শোক দিবসের অনুষ্ঠানের প্যান্ডেল ভাংচুর

রিপোর্টার
  • আপডেটঃ সোমবার, ১৬ আগস্ট, ২০২১
  • ৩৭৬ বার পড়া হয়েছে

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ পৌরসভায় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের দু’টি প্যান্ডেল ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে।গতকাল বিকেলে পৌরসভার মাঠে জেলা আওয়ামী লীগ নেতা আবু জাফর চৌধূরী বিরু ও এরফান হোসেন দ্বীপ সমর্থকদের উদ্যোগে নির্মিত শোক দিবসের অনুষ্ঠানের জন্য নির্মিত প্যান্ডেলে এ ভাংচুর চালানো হয়।

এ ঘটনায় সোনারগাঁ উপজেলা আওয়ামী লীগের যে কোন্দল তা আবারও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। এলাকাবাসী জানান, এ হামলার পেছনে সাবেক এমপি কায়সার হাসনাতের নির্দেশে মোগড়াপাড়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি সাগরের নেতৃত্বে এ হামলা চালানো হয়।উল্লেখ্য, আগামি সংসদ নির্বাচনে সোনারগাঁ-৩ আসন থেকে আবু জাফর বীরু ও এরফান হোসেন দ্বীপ প্রতিদ্ব›িদ্বতা করার ইচ্ছে পোষণ করেছেন। আর তাতেই ক্ষিপ্ত হয়ে নিজের পথের কাঁটা হিসেবে এ দু’জনকে সোনারগাঁ আওয়ামী লীগের রাজনীতি থেকে মাইনাস করার জন্য অপরাজনীতির কৌশল নিয়েছেন কায়সার হাসনাত বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ।

সোনারগাঁ পৌরসভার মাঠে শোক দিবস উপলক্ষে জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আবু জাফর চৌধূরী বিরুর সমর্থকদের উদ্যোগে আলোচনা সভার জন্য প্যান্ডেল নির্মান করা হয়েছিল। ওই প্যান্ডেলের চেয়ার ভাংচুর করে প্যান্ডেলটি গুড়িয়ে দেয় সন্ত্রাসীরা।

বিশ^স্ত একটি সূত্র জানায়, গত দু’দিন আগে থেকেই সাবেক সাংসদ কায়সার হাসনাত ও কালাম এখানে প্যান্ডেল না করার জন্য নানাভাবে হুমকী দিয়েছিলেন। তাদের লোকজন দিয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর চৌধূরী বিরু ও দ্বীপকে হুমকী দিতে থাকে। সকল হুমকী-ধামকী উপেক্ষা করে জাতির জনকের শাহাদাত পালন করতে তারা দু’জন প্যান্ডেল তৈরি করেন। আগামিকাল (আজ) এখানে মিলাদ ও দোয়া হওয়ার কথা। কিন্তু কায়সার হাসনাত-কালামের সমর্থকরা দু’টি প্যান্ডেলেই ভাংচুর চালায়। ক্ষমতার লোভে কায়সার হাসনাত তার আপন চাচাতো ভাই দ্বীপের সাথেও দ্ধন্ধে জড়িয়েছেন।

দ্বীপের বাবা মরহুম মোবারক হোসেন এ আসন থেকে দু’বার সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন (১৯৭৩ ও ১৯৮৬ সাল)।

জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তাই দ্বীপ কোনভাবেই যেনো সামনে এগিয়ে আসতে না পারে, সেই ভয় পাচ্ছেন কায়সার হাসনাত।

এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে জেলা আ’লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমান বাচ্চু বলেন, ‘এটা যারাই করেছে তারা একাত্তুরের পরাজিত শত্রু পচাত্তুরের ঘাতক বাহিনীর সদস্য।

তারা চায় না এ দেশে গণতন্ত্র থাকুক, এ দেশে জাতীর জনকের নিশানা থাকুক। তাদের গাত্রদাহ হয় জননেত্রী শেখ হাসিনার ছবি দেখলে। তাই তারা এটা করেছে। নয়তো এভাবে জাতীর জনকের ছবি সম্বলীত ব্যানারে আঘাত করতে পারতো না। আমি এ ঘটনার বিচার চাইছি। যারাই এ ঘটনা ঘটিয়ে থাকুক তাদেরকে প্রকাশ্যে শাস্তি দিতে হবে।

নয়তো এসব শকুনরা ভবিষ্যতে আরও বড় দূর্ঘটনা ঘটাবে।’আবু জাফর বিরুর সমর্থক ও উপজেলা শ্রমিকলীগের আহবায়ক মাহবুব আলম মিলন বলেন, বঙ্গবন্ধুর শোক দিবসের অনুষ্ঠানের প্যান্ডেল ভাংচুর করা হয়েছে। আমি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© ২০-২২ কপোতাক্ষ নিউজ । এই ওয়েবসাইটের কোনো কন্টেন্ট অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি

ডেভলপমেন্ট এন্ড মেইনটেন্যান্স: মোঃ জহির উদ্দীন