1. mohsinlectu@gmail.com : mahsin :
  2. zahiruddin554@gmail.com : Md. Zahir Uddin : Md. Zahir Uddin
বৃহস্পতিবার, ১৯ মে ২০২২, ০৯:৪৩ অপরাহ্ন
বিশেষ বিজ্ঞপ্তিঃ
সবাইকে কপোতাক্ষ নিউজ এর পক্ষ থেকে ঈদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। ঈদ মোবারক /// কপোতাক্ষ নিউজে আপনাকে স্বাগতম! (খালি থাকা সাপেক্ষে) দেশের সকল বিভাগ, জেলা, উপজেলা, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস সহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যোগাযোগ: ০১৭২৭-৫৬৭৯৭৬

গুরুভক্তি জিএম মুছা

রিপোর্টার
  • আপডেটঃ শুক্রবার, ২৭ আগস্ট, ২০২১
  • ২৭৮ বার পড়া হয়েছে
কোন এক গাঁয়ের ছিল একটি পাঠশালা, ঐ পাঠশালায় বেনী মাধব নামে এক ছাত্র পড়তো, পড়ালেখায় বেনী মাধব তেমন ভালো না হলেও তাঁর ছিল প্রচণ্ড গুরুর প্রতি শ্রদ্ধা ও ভক্তি। বেনী মাধব যেমন ছিল ভদ্র -নম্র , তেমনি চমৎকার ও মধুর ছিল তার ব্যবহার। অত্যন্ত বিনয়ী ও সৎ ছিল বেণী মাধব।
তার এই গুণের জন্য পাঠশালার পণ্ডিত মহাশয় তাকে খুব আদর করতো এবং ভালোও বাসতো, হঠাৎ একদিন বেণী মাধবের মামা এলো বেনী মাধবদের বাড়িতে বেড়াতে, বেণীমাধবের মায়ের মুখে ভাগ্নে বেণীমাধবের সকল গুনের কথা শুনে বেণীমাধবের মামা বেণীমাধবকে তার কাছে নিয়ে পড়ালেখা করাবে বলে মত প্রকাশ করলো, বেণীমাধবের মাও সঙ্গে সঙ্গে রাজি হয়ে গেলেন , বেণী মাধব মামার বাড়ি থেকে পড়াশোনা করার কথা শুনে খুশিতে আটখানা, যে কাজ সেই কথা, বেণীমাধবের মামা বেড়ানো শেষ করে বেনী মাধব কে গোছগাছ করে দিতে বললেন তার মাকে, বেনী মাধব খুশিতে খুশিতে মামার সঙ্গে যাওয়ার জন্য তৈরি হয়ে নিলো।
তারপর বেনী মাধব যখন মামার সঙ্গে বেরিয়ে বাড়ির বাইরে এলো, তখন বেণীমাধবের মা একমাত্র ছেলের জন্য আঁচলে মুখ ঢেকে গোপনে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছিলো, বেনী মাধব ও করুন চোখে একবার মায়ের দিকে তাকিয়ে কিছুক্ষণের জন্য একটু দুর্বল হয়ে পড়লো, বেণীমাধবের মামা তাহা লক্ষ্য করলেন এবং সঙ্গে সঙ্গে সান্ত্বনার স্বরে বললেন! “দিদি বেনীমাধব তোর সারা জীবনের জন্য যাচ্ছে না ক’দিন পরেই তো ওকে নিয়ে আমি আবার বেরিয়ড়ে যাবো।”
মামার কথায় আরো খুশি হলো বেণীমাধব, বেনী মাধব কে নিয়ে মামা গায়ের সেই পাঠশালায় গেলেন, বেনীমাধব পন্ডিত মশাই কে দেখামাত্র সঙ্গে সঙ্গে তাকে প্রণাম করল এবং তার জন্য গুরু মশাইয়ের নিকট আশীর্বাদ চাইলো,
গুরুমশাই বেনী মাধব কে কাছে ডেকে বুকে জড়িয়ে ধরলেন গায়ে  হাত বোলালেন, মাথায় হাত রেখে অনেক আশীর্বাদ করলেন। বললেন: “যাও বেনি তোমার উদ্দেশ্য সফল হোক, তুমি অনেক বড় হও ,ভগবান যেন তোমার মঙ্গল করেন ,তুমি লেখাপড়া শেষ করে মস্ত বড় ডাক্তার হয়ে ফিরে এসো,  আমি তোমাকে আশীর্বাদ করলাম।”
গুরু মশাইয়ের নিকট হতে বিদায় নিয়ে বেনী মাধব  সেই যে যাত্রা শুরু করলো, তারপর আর কখনও বেনী মাধব কে থেমে থাকতে হয়নি। গুরুর আশীর্বাদে বেনী মাধব খুব ভালোভাবে লেখাপড়া করতে লাগলো, একের পর এক সব ক্লাশ পার করে বেণী মাধব লেখাপড়া শেষ করে ডাক্তারি পাশ দিয়ে সত্যি সত্যি মস্ত বড় ডাক্তার হয়েই তারপর একদিন সেই গাঁয়ে ফিরে গেলো,সে দিন অবশ্য সেই গুরুমশাই বেঁচে ছিলেন না কিন্তু তাতে কি হয়েছে, গুরুর সেই আশীর্বাদ তো আর মরে যায় নি।
সত্যি সত্যি গুরু মশাইয়ের সেই আর্শীবাদ বেণী মাধব কে একদিন অনেক বড় ডাক্তার হতে সহায়তা করেছিলো। বেণীমাধবের গুরু ভক্তি, শ্রদ্ধা ,বিনয়ী ব্যবহার ভদ্র ও নম্রতার কারণে গুরুর আশীর্বাদ কে  পাথেয় করে পড়ালেখা শেষ করে মস্ত বড় ডাক্তার হয়ে তবেই বেনী মাধব একদিন গাঁয়ে ফিরে এলো।।
মূল কথা:  গুরুভক্তি আর বিনয় ব্যবহার মানুষকে অনেক বড় করে তোলে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© ২০-২২ কপোতাক্ষ নিউজ । এই ওয়েবসাইটের কোনো কন্টেন্ট অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি

ডেভলপমেন্ট এন্ড মেইনটেন্যান্স: মোঃ জহির উদ্দীন