1. mohsinlectu@gmail.com : mahsin :
  2. zahiruddin554@gmail.com : Md. Zahir Uddin : Md. Zahir Uddin
বৃহস্পতিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২২, ০২:০৭ অপরাহ্ন
বিশেষ বিজ্ঞপ্তিঃ

সারাদেশ ব্যাপী করোনার টিকাদান কর্মসূচী চলছে ,সকলকে টিকা গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করা হল।কপোতাক্ষ নিউজে আপনাকে স্বাগতম! (খালি থাকা সাপেক্ষে) দেশের সকল বিভাগ, জেলা, উপজেলা, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস সহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যোগাযোগ: ০১৭২৭-৫৬৭৯৭৬

পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স যেখানে অনিয়মই নিয়ম!

আরিফুল পটিয়া
  • আপডেটঃ বৃহস্পতিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ১০৩ বার পড়া হয়েছে

আরিফুল ইসলাম পটিয়া (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা : পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সব অনিয়ম এখন নিয়মে পরিণত হয়েছে। অনিয়ম – দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, ডাক্তারের উদাসীনতাসহ নানাবিধ কারণে চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভেঙ্গে পড়েছে চিকিৎসা ব্যবস্থা। এতে লোকজন সুষ্ঠু চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। টিকা নিয়ে পদে পদে হয়রানি হচ্ছে মানুষ। দুই মাস পূর্বে টিকার রেজিষ্ট্রেশন করা অনেকে প্রথম ডোজ গ্রহণের সুযোগ না পেলেও স্বাস্থ্য কর্মকর্তার সাথে পরিচয় থাকা অনেকে স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে পরের দিন কিংবা এক সপ্তাহের মধ্যেই টিকা পেয়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী নাজমা আক্তার নামের এক মহিলা জানান গত দুই মাস পূর্বে টিকার জন্য রেজিষ্ট্রেশন করা হলেও এখনও প্রথম ডোজের এসএমএস আসেনি। উদাহরণ মতে পটিয়া প্রেস ক্লাবের প্রবীণ সদস্য ইনকিলাবের এই সংবাদদাতা গত ১২ আগস্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্য কর্মকতার অফিসে কথা বলার এক পর্যায়ে নয়ন শর্মা নামের এক ব্যক্তি ৫টি নিবন্ধন কার্ড এনে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সব্য সাচী নাথকে কানে কানে কি যেন বলার পর হাবিব নামের এক জনকে ডেকে বললেন এগুলো এসএমএস ঠিক করে দাও। একই দিন দৈনিক জনতা সাংসদ সেলিম চৌধুরী স্ত্রী জোবাইদা বেগম টিকা নিতে গেলে হয়রানি শিকার হয় এবং টিকা গ্রহণ করতে না পেরে বাড়িতে ফিরে যেতে হয় বলে জানাগেছে। নয়ন শর্মার মতো এ সংবাদদাতার দুটি নিবন্ধনের এসএমএস ঠিক করে দিতে বললে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা অপারগতা প্রকাশ করেন। নয়ন শর্মাকে কিভাবে দেওয়া হলো জানতে চাইলে তিনি উপরের নির্দেশ আছে বলেন? স্বাস্থ্য কর্মকর্তার নির্দেশে বিধি বর্হিভূত ভাবে ২৬শ লোককে গণ টিকা দেওয়াকে কেন্দ্র করে গত ৫ আগস্ট কমপ্লেক্সের ইপি আই টেকনিশিয়ান রবিউল হোসেনকে সাসপেন্ড করা হয়। কিন্তু এখনও স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সব্যসাচী নাথের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়নি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। টিকা নিয়ে নানা অব্যবস্থাপনার কারণে লোকজনের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হচ্ছে। প্রতি বছর হাসপাতালে পরিচ্ছন্নতার জন্য লক্ষ টাকা বরাদ্দ আসলেও টাকা গুলো কোথায় ব্যয় হয় তা কেউ জানে না। অথচ ল্যাব কক্ষের পেছনে ময়লা আবর্জনার স্তুপে ডেঙ্গু ম্যালেরিয়া মশার প্রজনন ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে।

হাসতালে আগত অধিকাংশ রোগীকে ভর্তি না করে ডাক্তারেরা চমেক হাসপাতালে প্রেরণ করে থাকেন। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়ার মতো রোগীদেরকেও হাসপাতালে ভর্তি না করার দরুণ তারা মেডিকেলের সামনে বেসরকারি চিকিৎসা সংস্থা জেনারেল হাসপাতাল ও সেন্ট্রাল হাসপাতালে ভর্তি হয়ে থাকে। এতে রোগীদের মাত্রাতিরিক্ত অর্থ ব্যয় হয়ে থাকে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ পাবলিক হাসপাতাল গুলোর সাথে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তার সাথে যোগসাজশ থাকার কারণে রোগী ভর্তি করেন না। সূত্র জানায় স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা সব্যসাচী নাথ পটিয়ায় বরাদ্দকৃত ভবনে না থেকে চট্টগ্রাম শহরের বিলাস বহুল বাসায় থাকেন। এতে বিকেল ৫টার পর থেকে কোন জরুরি প্রয়োজনে স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাওয়া যায় না। এছাড়াও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কাজে ব্যবহারের জন্য গাড়িটিও সব্যসাচী নাথ ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করেন বলে অভিযোগ। অত্র হাসপাতালের এক নারী চিকিৎসকের সাথে অনৈতিক সম্পর্কের কানাঘোষা শোনা যাচ্ছে। ঐ নারী চিকিৎসককে সব সময় তার গাড়ীতে ও অফিসে দেখা যায়।

পটিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সব্যসাচী নাথ যোগদানের পর থেকে চিকিৎসা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে বলে ভুক্তভোগীরা জানান ।হাসপাতালের আইসিইউ এম্বুলেন্সটি বন্ধ রেখে অবৈধ আর্থিক লাভের জন্য হাসপাতালের ভিতরে প্রাইভেট এম্বুলেন্সকে অতিরিক্ত ভাড়ায় যাতায়াতের সুযোগ করে দিয়েছেন। এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা সব্যসাচী নাথ থেকে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি সারাদিন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডিউটি করতে পারবো না। তাই শহরে আমার ভাড়া বাসায় চলে যাই। অন্যান্য অভিযোগগুলো সত্য নয় বলে তিনি জানান। তবে পটিয়া সচেতন মহল বিষয়টি তদন্তপুর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© ২০২১ কপোতাক্ষ নিউজ । এই ওয়েবসাইটের কোনো কন্টেন্ট অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
ডেভলপমেন্ট এন্ড মেইনটেন্যান্স: মোঃ জহির উদ্দীন