1. mohsinlectu@gmail.com : mahsin :
  2. zahiruddin554@gmail.com : Md. Zahir Uddin : Md. Zahir Uddin
মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২২, ০৬:৫১ পূর্বাহ্ন
বিশেষ বিজ্ঞপ্তিঃ

কপোতাক্ষ নিউজে আপনাকে স্বাগতম! (খালি থাকা সাপেক্ষে) দেশের সকল বিভাগ, জেলা, উপজেলা, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস সহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যোগাযোগ: ০১৭২৭-৫৬৭৯৭৬

যশোরের কেশবপুর উপজেলার ১০ নং সাতবাড়িয়া ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান এর বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছে

খন্দকার তরিকুল ইসলাম যশোর
  • আপডেটঃ রবিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২১
  • ৬২ বার পড়া হয়েছে
যশোরের কেশবপুর উপজেলার ১০ নং সাতবাড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সামছুদ্দীন দফাদারের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। সরেজমিনে গিয়ে দূর্নীতি ও অনিয়মের সত্যতা মিলেছে।উজেলার সাতবাড়িয়া ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ড এর আয়েশা নামে একজন দরিদ্র ভ্যানচালক মাহবুর রহমানের স্ত্রী জানান আমার ভিজিএফ কার্ড এর জন্যে আমি রোজিনা ও তরিকুল এর মাধ্যমে চেয়ারম্যান কে বিভিন্ন জায়গা থেকে ধার দেনা করে চার হাজার নয়শত টাকা দিয়েছি কিন্তু আজ ছয় সাতমাস হয়ে গেলেও চেয়ারম্যান আমাদের কে কার্ড দেওয়ার নাম করে ঘুরিয়ে যাচ্ছেন অসহায় ভূক্তভুগী মহিলা আক্ষেপ করে বলেন আমাদের আর কার্ডের দরকার নেই আমাদের টাকা গুলা ফেরত চাই। কিন্তু ভিজিএফ এর কার্ডে তো কোন টাকা লাগেনা এমন প্রশ্নে সাংবাদিকদের  আয়শা বেগম জানান আমি প্রচন্ড দারিদ্রতার কারনে বহুবার চেয়ারম্যান সামছুর কাছে একটা ভিজিএফ কার্ডের জন্যে গিয়েছি কিন্তু দেইনি পরে তারই খুবই কাছের লোক রোজিনা ও তরিকুল মারফৎ আমাদের কে জানিয়েছে টাকা না দিলে কার্ড দিবে না তাই আমি উপায়ন্তর না পেয়ে দারিদ্রতা থেকে একটু সহায় পেতে রোজিনা কে টাকা দিয়েছি। একই গ্রামের দরিদ্র লোকমানের স্ত্রী মনোয়ারা বেগম জানান গত দুই তিন বছর ইউনিয়ন পরিষদে একটা ভিজিএফ এর কার্ডের জন্যে ঘুরছি কিন্তু আমাকে টাকা ছাড়া চেয়ারম্যান সামছুদ্দীন কার্ড দিবে না বলে জানায় রোজিনা, তখন আশেপাশে লোকজনের কাছ থেকে ধার দেনা করে ও লোন নিয়ে চার হাজার তিন শত পন্চাশ টাকা রোজিনা কে দিয়েছি এবং চেয়ারম্যানের কাছে গেলে তিনি বলেন এবার তোমার কার্ড করে দিবো কিন্তু সাত আট মাস কার্ড করে দিবো দিবো ঘুরিয়ে যাচ্ছেন আজও আমার কার্ড করে দিচ্ছেন না আমার কার্ড লাগবে না আমার টাকা গুলা ফেরত চাই। টাকা ফেরত না দিলে আমি আইনের আশ্রয় নিবো। এবিষয়ে জানতে রোজিনা বাড়িতে গেলে তাকে টাকার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি ভয়ে কাদতে কাদতে বলেন আমি গরীব মানুষ তরিকুল আমাকে বলেছিলো আয়েশা মনোয়ারা সহ সাত আট জন মহিলার কাছ থেকে কার্ড বানিয়ে দেয়া বাবদ টাকা আনতে আমি শুধু ৩০ হাজার টাকা গুলা এনে তরিকুল মারফত চেয়ারম্যান কে পৌছে দিয়েছি তারপরে ওদের কাড করে না দিলে আমার কি করার আছে। এবিষয়ে তরিকুল এর সংশ্লিষ্ট থাকার জায়গায় খোজ করেও পাওয়া যায়নি সাংবাদিক এর উপস্থিতি টের পেয়ে শটকে পড়েন। এত সব নিয়ম দূর্নীতির বিষয়ে চেয়ারম্যান শামসুদ্দীন দফাদার কে জানতে চাইলে তিনি দূর্নীতি অনিয়মের কথা অস্বীকার করেন তবে রোজিনা ও তরিকুল তার কাছের লোক বলে এক পর্যায়ে স্বীকার করে নেন। চেয়ারম্যান জানান আমি কোন ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা নেয় নি আমার নামে কেউ বলতে পারবেন না যে আমি  টাকা নিয়েছি। যদি টাকা নিয়ে থাকে এমন অভিযোগ পাই তাহলে আমি যারা টাকা নিয়েছে কাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিব তাদের বিরুদ্ধে যাদের টাকা উদ্ধার হয় সে ব্যবস্থা আমি করব ইনশাল্লাহ। এদিকে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো জানান আমাদের টাকাগুলো উদ্ধার করে দিয়ে আমাদের উপকার করার জন্য এবং আমাদের কাছ থেকে যারা টাকা নিয়েছিল তাদের  উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এমন দাবী জানান।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© ২০২১ কপোতাক্ষ নিউজ । এই ওয়েবসাইটের কোনো কন্টেন্ট অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
ডেভলপমেন্ট এন্ড মেইনটেন্যান্স: মোঃ জহির উদ্দীন