1. mohsinlectu@gmail.com : mahsin :
  2. zahiruddin554@gmail.com : Md. Zahir Uddin : Md. Zahir Uddin
মঙ্গলবার, ২৮ জুন ২০২২, ০৬:৪৪ অপরাহ্ন
বিশেষ বিজ্ঞপ্তিঃ
 কপোতাক্ষ নিউজে আপনাকে স্বাগতম! (খালি থাকা সাপেক্ষে) দেশের সকল বিভাগ, জেলা, উপজেলা, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস সহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। যোগাযোগ: ০১৭২৭-৫৬৭৯৭৬

হজরতুল আল্লামা আওলাদে রাসুল (সাঃ) পীর সৈয়্যদ মুহাম্মদ সাবির শাহ (মজিআ) সংযুক্ত আরব আমিরাতে সংবর্ধিত

রিপোর্টার
  • আপডেটঃ শুক্রবার, ২২ অক্টোবর, ২০২১
  • ৭২ বার পড়া হয়েছে

সেলিম চৌধুরী, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ- সংযুক্ত আরব আমিরাতে আওলাদে রাসুল( সাঃ) হজরতুল আল্লামা পীর সৈয়্যদ মুহাম্মদ সাবির শাহ (ম.জি.আ) সমপ্রতি সংযুক্ত আরব আমিরাতে সফরে গেলে তাকে ফুলের শুভেচ্ছা জানিয়ে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। আওলাদে রাসুল পীরে বাঙাল হযরত আল্লামা সৈয়দ পীর সাবির শাহা ( মা জি) আলী সংযুক্ত আরব আমিরাত আগমনে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী তরুণ শিল্পপতি গাউছিয়া কমিটি মুসাফফা শাখার সহসাধারন সম্পাদক মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ম্যাংগো সুপারমার্কেটে ও কুইক অটো ওয়ার্কশপে তসরিফ আনেন। এসময় আরোও উপস্থিত ছিলেন গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত কেন্দ্রীয় কমিটি সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব জানে আলম, সহসভাপতি আজম খান, হাজী এয়াকুব, হাজী ছলোয়ার, গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত মোসাফফা শাখার যুগ্ম সাধারণ মোহাম্মদ বিশিষ্ট ব্যাবসায়ি ও সমাজ সেবক মোরশেদ আলম, ম্যানাজার মোহাম্মদ মামুন মোহাম্মদ খোরশেদ আলম মোহাম্মদ করিম সহ সকলে পরে হুজুর কেবলা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান জন্য বিষেশ ভাবে দোয়া করেন গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত (মুছাফফাহ্ শাখা)। এসময় আল্লামা সাবির শাহ (মা.জি.আ) বলেন, গোটা আরব জাহান ঘোর অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিল। মানুষ হয়ে পড়েছিল বেদীন। তারা আল্লাহকে ভুলে গিয়ে নানা অপকর্মে লিপ্ত হয়ে পড়েছিল। সর্বত্র দেখা দিয়েছিল অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলা। এ যুগকে বলা হতো আইয়ামে জাহেলিয়াত। তখন মানুষ মারামারি আর হানাহানিতে লিপ্ত ছিল এবং মূর্তি পূজা করত। এ থেকে মানুষকে মুক্তিসহ তাদের আলোর পথ দেখাতে মহান আল্লাহতায়ালা হজরত মোহাম্মদ (দ.)-কে এই ধরাধামে পাঠান। যেদিন তিনি আগমন করেন, সেই দিনটি ছিল ১২ই রবিউল আউয়াল। সেই পবিত্র দিন, ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.)। বিশ্বমানবতার মুক্তির দিশারী সর্বশ্রেষ্ঠ নবী হযরত মোহাম্মদ মোস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলা আলিহী ওয়াসাল্লামের জন্ম ও ওফাত দিবস। ৫৭০ খ্রিস্টাব্দের এ দিনে মক্কা নগরীর কুরাইশ বংশে মা আমেনার কোল আলো করে প্রিয় নবী (দ.) ইসলামের শেষ নবী হিসেবে আসেন এই পৃথিবীতে। জন্মের পূর্বেই পিতৃহারা হন এবং জন্মের অল্পকাল পরই বঞ্চিত হন মাতৃস্নেহ থেকে। অনেক দুঃখ-কষ্ট আর অসীম প্রতিকূলতার মধ্যদিয়ে চাচা আবু তালিবের আশ্রয়ে বড় হয়ে ওঠেন। অসভ্য বর্বর ও পথহারা মানব জাতিকে সত্যের সংবাদ দিতে তিনি তাদের কাছে তুলে ধরেন মহান রাব্বুল আলামীনের তাওহীদের বাণী।বিশ্বমানবতার মুক্তির দূত, ইসলামের শেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী রাসূল (সা.) এর আগমনের মধ্য দিয়ে আরবের অন্ধকারাচ্ছন্নতা, বর্বরতা, পৈশাচিকতা ও পাপ পঙ্কিলতা দূর হয়ে সমাজে সাম্য ও মানবতা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। বিশ্বশান্তি ও কল্যাণের পথই হল মহানবী (সা.) এর অনুপম শিক্ষা ও সামাজিক সংস্কারের মূল চেতনা। জগতে হিংসা-বিদ্বেষ, সন্ত্রাস, দুর্নীতি, শোষণ, বঞ্চনা, বৈষম্য ও বিভ্রান্তি দূরীভূত হয়ে মানব সমাজে শান্তি ও সংহতি প্রতিষ্ঠায় মহানবীর (সা.) জীবনাদর্শ আমাদের জন্য বড় নেয়ামত। বলা যেতে পারে, মহানবী হজরত মুহম্মাদ (সা.) ছিলেন সব শ্রেণী-পেশার মানুষের জন্য এক অনুপম আদর্শ। তিনি ছিলেন শিশুর আদর্শ, যুবকের আদর্শ, সৈনিকের আদর্শ, সেনাপতির আদর্শ, স্বামীর আদর্শ, পিতার আদর্শ, ব্যবসায়ীর আদর্শ, শিক্ষকের আদর্শ ও রাষ্ট্রনায়কের আদর্শ। পৃথিবীর অন্যকোনো মহামানবের ভেতরে এমন অপূর্ব দৃষ্টান্ত পাওয়া যাবে না, যার সমাহার ও সংমিশ্রণ শুধু এই মহামানবের জীনাদর্শেই বিদ্যমান। তাঁর অনুসরণ-অনুকরণ করার মধ্যে মানব জীবনের ঐকান্তিক সফলতা নিহিত। রাসূল (সা.) পৃথিবীতে আগমন করেছেন সচ্চরিত্রের বিকাশ সাধনের লক্ষ্যে। রাসূল (সা.) বলেছেন, ‘আমাকে সচ্চরিত্রের পূর্ণতা সাধনের নিমিত্তই প্রেরণ করা হয়েছে।’ (জামেউল আহাদিস : ৬৭২৯)
রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর নৈতিক চরিত্রের মান নিয়ে মক্কার মুশরিকদেরও অভিযোগ ছিল না। তাঁর বিশ্বস্ততা ও উন্নত চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে তাদের ছিল না কোনো দ্বিমত। রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর নৈতিক চরিত্রের সর্বোত্তম সংজ্ঞা দিয়ে হজরত আয়েশা (রা.) বলেছেন, ‘কোরআনই ছিলো তাঁর চরিত্র।’ রাসূলুল্লাহ (সা.) দুনিয়ার তাবৎ মানুষের সামনে শুধু কোরআনের শিক্ষাই পেশ করেননি। বরং তিনি নিজেকে কোরআনের জীবন্ত নমুনা হিসেবে উপস্থাপন করেছিলেন। কুরআন মজিদে যে নৈতিক গুণাবলীকে উৎকৃষ্ট কাজ বলে উল্লেখ করা হয়েছে, সেসব গুণে তিনি ছিলেন পরিপূর্ণ গুণান্বিত।ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। কখনো দুর্বল ব্যক্তিকে কটু কথার মাধ্যমে হেয়প্রতিপন্ন করতেন না। এমনকি কোনো মানুষকে তার সামর্থ্যের বাইরে অসাধ্য কাজে বা কঠিন দায়িত্বে বাধ্য করতেন না। তিনি দরিদ্র অসহায় মানুষের সঙ্গে ওঠাবসা করতেন। সমাজে যে যতটুকু মর্যাদার অধিকারী, তাকে সেভাবেই মূল্যায়ন করতেন। তিনি নম্রতাসুলভ আচরণ প্রদর্শন
করার জন্য সাহাবায়ে কিরামদের উপদেশ দিতেন, আচার-ব্যবহারে অযথা রাগ ও ক্রোধ থেকে সর্বদা বিরত থাকার পরামর্শ দিতেন। তিনি মানুষকে সাবধান করে দিয়ে বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি নম্র-বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উচ্চাসনে আসীন করেন আর যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে অপদস্থ করেন।’ (মিশকাত)। আজ পৃথিবীর অমুসলিম মনীষীরাও স্বীকার করেছেন একমাত্র হযরত মোহাম্মদ (দ.) এর পথ অনুসরণের মাধ্যমে আজকের বিশ্ব তাবৎ সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারে। তাই অশান্ত আর বিক্ষুব্ধ আজকের এ বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে হলে মহানবী হযরত মোহাম্মদ (দ.) এর আদর্শের কোনো বিকল্প নেই

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© ২০-২২ কপোতাক্ষ নিউজ । এই ওয়েবসাইটের কোনো কন্টেন্ট অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি

ডেভলপমেন্ট এন্ড মেইনটেন্যান্স: মোঃ জহির উদ্দীন