কপোতাক্ষ নিউজে খালি থাকা সাপেক্ষে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। অতিস্বত্তর সম্পাদকের সাথে যোগাযোগ করুন।

অপরাধ প্রতিরোধে সচেতনতা বিষয়ে মতবিনিয়

অপরাধ প্রতিরোধে সচেতনতা বিষয়ে মতবিনিয়


মোহনগঞ্জ (নেত্রকোনা) প্রতিনিধিঃ নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে মসজিদের মুসল্লীদের সাথে মতবিনিময় করছেন মোহনগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাফিজুল ইসলাম হারুন। আজ (১৭ এপ্রিল) শুক্রবার জুমার নামাজের আগে উপজেলার ১নং বড়কাশিয়া-বিরামপুর ইউনিয়নের বিরামপুর জামে মসজিদের মুসল্লীদের সাথে মাদক, ইভটিজিং, বাল্যবিবাহ, আত্মহত্যা সহ সমসাময়িক বিষয় সকল অপরাধ নিয়ে আলোচনা ও পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ মেধার ভিত্তিতে শতভাগ নিরপেক্ষ হবে মর্মে পুলিশ সুপারের পক্ষ থেকে নিশ্চয়তা প্রদান করে বক্তব্য প্রদান করা হয়।এসময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সকলের সহযোগিতা চান তিনি। 

তিনি মাদক মুক্ত মোহনগঞ্জ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করছেন বলে জানান। এবং সকলকে মাদক সেবী বা মাদক কারবারি যে কেউ হোক তার অবস্থান সহ তথ্য দিয়ে পুলিশের কাজে সহযোগিতা করার অনুরোধ জানান। পরে জুমার নামাজ শেষে  মুসল্লীদের বিভিন্ন অভিযোগ শুনেন। মাদক বিরোধী ইউনিয়ন ভিত্তিক সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কর্ম পরিকল্পনা করেন। এ সময় মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনসহ সকল ধর্মপ্রাণ  মুসল্লীগন উপস্থিত ছিলেন।

নওগাঁর আত্রাইয়ে ২২ লিটার মদ সহ হিন্দু মহিলা আটক

নওগাঁর আত্রাইয়ে ২২ লিটার মদ সহ হিন্দু মহিলা আটক
মোঃ রবিউল সরদারঃ নওগাঁর আত্রাই থানায় মাদক বিরোধী অভিযানে ২২ লিটার চোলাই ম/দসহ মহিলা ম/দ ব্যবসায়ীকে আটক করেছে থানা পুলিশ।  গত বুধবার( ১৫ এপ্রিল) বিকালে উপজেলার খোলাপাড়া গ্রামে মাদ/ক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়। 
Uploaded Image
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পুলিশ সুপারের দিকনির্দেশনায় মা/দক বিরোধী অভিযানে ২২ লিটার চোলাই ম/দসহ একজন মহিলা মা/দক ব্যবসায়ীকে সরস্বতী চৌধুরী (৫০)  স্বামী মৃ/ত রাম সংকর চৌধুরী নামে এক মাহিকে আটক করে , গ্রাম- খোলাপাড়া. থানা আত্রাই জেলা নওগাঁ । একই সাথে উভয় স্থানে চোলাই মদ তৈরীর আস্তানা ভেঙে দেওয়া হয়। এই মাদক বিরোধী অভিযান চলমান থাকবে। গ্রেফতারকৃত সরস্বতী চৌধুরী এর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে ।

নওগাঁয় বর্ণাঢ্য আয়োজনে ‘দৈনিক আজকালের কণ্ঠ’র ৫ম বর্ষে পদার্পণ উদযাপন

নওগাঁয় বর্ণাঢ্য আয়োজনে ‘দৈনিক আজকালের কণ্ঠ’র ৫ম বর্ষে পদার্পণ উদযাপন

Uploaded Image মোঃ ফিরোজ আহমেদ,রাজশাহী ব্যুরোঃ বস্তুনিষ্ঠ ও সাহসী সাংবাদিকতার চার বছর অতিক্রম করে সাফল্যের পঞ্চম বছরে পদার্পণ করলো জনপ্রিয় জাতীয় দৈনিক ‘দৈনিক আজকালের কণ্ঠ’। এ উপলক্ষে আজ ১৬ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) সকাল ১১টায় নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে কেক কাটা ও আনন্দঘন আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মোঃ আরাফাত আলী, সহ-সম্পাদক, দৈনিক আজকালের কণ্ঠ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সফল সভাপতি মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাহমুদুন নবী বেলাল, ইউনাইটেড প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ সাব্বির আহম্মেদ এবং বৈশাখী টেলিভিশনের নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি মোঃ আরমান হোসেন রুমন। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই আয়োজনে আরও উপস্থিত ছিলেন জনকণ্ঠের জেলা প্রতিনিধি মোঃ রিজভী আহম্মেদ রিজওয়ান এবং উত্তরা প্রতিদিনের স্টাফ রিপোর্টার মোঃ রাকিব হোসেন। 

এছাড়াও অনুষ্ঠানে অংশ নেন দৈনিক আজকালের কণ্ঠ'র নওগাঁ জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিরা। তাদের মধ্যে ছিলেন মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার মোঃ আব্দুল্লাহ আল মাহীদ, রাণীনগর উপজেলা প্রতিনিধি মোঃ রায়হানুল হক রায়হান, আত্রাই উপজেলা প্রতিনিধি মোঃ ফিরোজ আহম্মেদ এবং মান্দা উপজেলা প্রতিনিধি মোঃ আরিফ হোসেন। পত্রিকাটির এই বিশেষ দিনে জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের সংবাদকর্মীদের এক মিলনমেলায় পরিণত হয় অনুষ্ঠানটি। উপস্থিত সাংবাদিকবৃন্দ পত্রিকার উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন এবং সত্য ও ন্যায়ের পথে থেকে গণমানুষের কণ্ঠস্বর হিসেবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

বক্তারা বলেন, “পাঠকের অকুণ্ঠ ভালোবাসা ও আস্থাকে সঙ্গী করেই ‘দৈনিক আজকালের কণ্ঠ’ আজ পাঁচ বছরে পদার্পণ করেছে। আধুনিক সাংবাদিকতার নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে পত্রিকাটি তার স্বকীয়তা বজায় রেখেছে।” বিশেষ করে মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিকতার মাধ্যমে নওগাঁর স্থানীয় সংবাদ দ্রুত ছড়িয়ে দেওয়ার ভূয়সী প্রশংসা করেন তারা। আলোচনা সভা শেষে প্রধান অতিথি ও অন্যান্য অতিথিদের সঙ্গে নিয়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ৫ বছরে পদার্পণের কেক কাটা হয়। পরে উপস্থিত সকলের মাঝে মিষ্টি বিতরণ ও গ্রুপ ফটোসেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তিনওগাঁয় বর্ণাঢ্য আয়োজনে ‘দৈনিক আজকালের কণ্ঠ’র ৫ম বর্ষে পদার্পণ উদযাপন ঘটে।
  Uploaded Image

আত্রাইয়ে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ

আত্রাইয়ে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ
Uploaded Image 
মোঃ ফিরোজ আহমেদ,রাজশাহী ব্যুরোঃ নওগাঁর আত্রাই উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের রায়পুর এলাকায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা  অমান্য করে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, যে জমি নিয়ে বিরোধ চলছে সে জমিতে আদালতের নিষেধাজ্ঞা  অমান্য করে স্থাপনা নির্মাণের কাজ করেছে স্থানীয় প্রভাবশালী এক ব্যক্তি। আদালত কতৃক নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে ভূমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিতে ওই গ্রামের মৃত তছিমুদ্দিনের পুত্র মো.বেদারুল ইসলাম বাদী এবং একই গ্রামের মৃত আবু তালেবের পুত্র আবু তাহের, মো.সাইদ, মো.জাহাঙ্গীর এবং মো.সাইদের পুত্র মো.রাজ্জাকের রিরুদ্ধে  দায়েরকৃত মামলায় আদালত জেএল নং ২৪ সিএস খতিয়ান নং- ৪৪,আর এস খতিয়ান নং- ১৬৪,হাল দাগ নং-৮০৭ এবং ৮০৮ সম্পত্তিতে নালিশী সম্পত্তি থাকায় আদালত  ফৌজদারি কার্যিবধি ১৪৪/১৪৫ ধারার নিষেধাজ্ঞা জারি করে। পরিদর্শনে দেখা গেছে,নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকা সত্ত্বেও গত  ৪ নভেম্বর ২০২৫ বিবাদীপক্ষ আবু তাহের
গং-রা গোপনে নির্মাণসামগ্রী এনে উক্ত জায়গায় ঘর নির্মাণ শুরু করে।

এক পর্যায়ে বাদী বেদারুল ইসলাম  ও তার পরিবার ঘর নির্মাণে বাধা দিতে গেলে বিবাদীপক্ষ উত্তেজিত হয়ে পড়ে এবং বাদীপক্ষকে মারধর, লাঠিসোঁটা দিয়ে হামলার হুমকি, এমনকি প্রাণনাশের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। এবং প্রকাশ্যে ভাড়াটিয়া বাহিনী কর্তৃক স্থাপনা নির্মাণ করে। এতে বাদীপক্ষ আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়ে এবং পরিস্থিতি দ্রুত অবনতির দিকে যায়। বাদীপক্ষ বেদারুল ইসলাম  অভিযোগ করে বলেন, “আদালতের নির্দেশনাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে তারা জোর করে ঘর তুলছে। নিষেধ করায় আমাদের ওপর হামলার চেষ্টা করেছে, হত্যার হুমকিও দিয়েছে। আমরা এখন সম্পূর্ণ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। স্থানীয় এলাকাবাসী জানায়, আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে এমন জোরপূর্বক দখল ও নির্মাণ সাম্প্রতিক সময়ে এলাকায় দেখা যায়নি। এতে জনমনে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

বাদীপক্ষ দ্রুত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জরুরি হস্তক্ষেপ চেয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে বিষয়টি জানায় এবং বিবাদীপক্ষের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য থানা ও ভূমি অফিসে অভিযোগ দিয়েছেন। এ বিষয়ে আত্রাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো.আব্দুল করিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আমি অভিযোগটি আমলে নিয়ে দ্রুত পুলিশ পাঠিয়ে কাজ বন্ধ করে দিয়েছি। তবে তা অমান্য করে পুনোরায় কাজ করার বিষয়টি আমার জানা নেই। তারা যদি পুনরায় কাজ শুরু করে অবশ্যই তাদের আইনের আওতাই নিয়ে আসা হবে বলেও জানান তিনি

কয়রায় গ্রাম আদালত ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা

কয়রায় গ্রাম আদালত ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা

Uploaded Imageকয়রা (খুলনা) প্রতিনিধিঃ কয়রায় উপজেলা পর্যায়ে গ্রাম আদালত কার্যক্রমের অগ্রগতি হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার ও ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সাথে গ্রাম আদালত ব্যবস্থাপনা কমিটির ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার   (১৫ এপ্রিল) বেলা ১১ টায় উপজেলা পরিষদ হল রুমে উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সরকার বিভাগ এ সভার আয়োজন করে।  কয়রা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আব্দুল্ল্যাহ আল বাকীর সভাপতিত্বে অনুষ্টানে উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা, ইকবাল হোসেন, আল আমিন হোসেন, বাশিরুল ইসলাম, গ্রাম আদালতের উপজেলা সমন্বয়কারী মরিয়ম খাতুন, প্রমুখ এছাড়াও অনুষ্টানে উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকর্তা গ্রাম আদালত সহকারী, সাংবাদিক ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 

সভায় প্রতিটি ইউনিয়নে গ্রাম আদালতের কেস ব্যবস্থাপনা, নিষ্পত্তির হার, চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের পথ নিয়ে আলোচনা করা হয়। এছাড়াও  ভবিষ্যতে গ্রাম আদালতের দক্ষতা বৃদ্ধি ও সেবা বর্ধনে একাধিক সুপারিশ গৃহীত হয়। সভাপতির বক্তব্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আব্দুল্লাহ আল বাকী বলেন, গ্রাম আদালতকে কার্যকর করতে চেয়ারম্যানদের আরও দায়িত্বশীল হতে হবে। জনসচেতনতা বাড়াতে প্রচার কার্যক্রম জোরদার করতে হবে।”

কয়রায় নানা কর্মসুচীর মধ্যে  দিয়ে বাংলা নববর্ষ উদযাপন

কয়রায় নানা কর্মসুচীর মধ্যে  দিয়ে বাংলা নববর্ষ উদযাপন

Uploaded Imageকয়রা(খুলনা)প্রতিনিধিঃ কয়রা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে নানা কর্মসুচীর মধ্যে দিয়ে  বাঙ্গালীর প্রানের ঐতিহ্য বাংলা নববর্ষ-১৪৩৩ উদযাপন করা হয়েছে। মঙ্গলবার  (১৪ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭ টায় ইলিশ আর পান্তাভাত খাওয়ার মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠান মালা শুরু করা হয়। এর পর পরিষদ মাঠে নানান অনুষ্ঠান মালার উদ্বোধন করেন কয়রা-পাইকগাছার সংসদ সদস্য মাওলানা আবুল কালাম আজাদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আব্দুল্লাহ আল বাকী, উপজেলা কৃষি অফিসার তীলক কুমার ঘোষ, কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ তদন্ত মোঃ শাহ আলম, উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মিজানুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব নুরুল আমিন বাবুল, জেলা বিএনপির সদস্য এম এ হাসান, কয়রা উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ শরিফুল আলম, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আবুল কালাম আজাদ, প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার মোঃ আব্দুল্লাহ আল জাবির, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী ইস্তিয়াক আহমেদ, সমাজসেবা অফিসার মোঃ আবুল কালাম আজাদ, কয়রা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ্যাডঃ আকবার হোসেন, কপোতাক্ষ কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ ওলিউল্লাহ, উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার মোঃ আঃ ছালাম, পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন অফিসার মোঃ বিল্লাল হোসেন, আনসার ভিডিপি অফিসার আমিনা,

সহকারি যুব উন্নয়ন অফিসার মোঃ আকরাম হোসেন, মদিনাবাদ মডেল সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ ইসমাইল হোসেন, প্রধান শিক্ষক মোঃ খায়রুল আলম, মোস্তফা শহীদ সরোয়ার, এস এম নুরুল আমিন নাহিন প্রমুখ। এবারের কয়রায় নববর্ষের শোভাযাত্রাটি মানুষের মন কেড়ে নেয়। উপজেলা প্রশাসন ও মদিনবাদ যুব সংঘের নান্দনিক আয়োজনে গ্রাম বাংলার প্রাচীন ঐতিহ্যর বিভিন্ন কার্যক্রম প্রদর্শন করা হয়। এ উপলক্ষে  উপজেলা পরিষদ মাঠে গ্রামীন মেলার আয়োজন করা হয়। এ ছাড়া ঘুড়ি উড়ানো প্রতিযোগিতা, কাচিটানা, হাড়িভাঙ্গা, গ্রামীন খেলাধুলার প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। পরে এক মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্ত ঘটে।

মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে কয়রার মৎস্য ব্যবসায়ীদের হয়রানীর অভিযোগ

মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে কয়রার মৎস্য ব্যবসায়ীদের হয়রানীর অভিযোগ
কয়রা(খুলনা)প্রতিনিধিঃ সুন্দরবনের মৎস্য ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য প্রদান করে হয়রানী করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। নিষিদ্ধ এলাকায় মাছ না ধরলেও তাদের নাম ব্যবহার করে ফায়দা আদায় করার চেষ্টা করছে একটি মহল। বর্তমান সময় সুন্দরবনের অভয়ারণ্যে বন বিভাগের কঠোর নজরদারিতে কমে এসেছে অপরাধ প্রবনতা। অভয়ারণ্যে এলাকায় প্রতিনিয়ত বন বিভাগের চলছে টহল কার্যক্রম। এতে করে চুপসে গেছে অসাধু চক্র। তবে অভয়ারণ্যে এলাকায় এক শ্রেনীর স্বার্থনেষি মহল প্রবেশ করতে না পারায় তারা মিথ্যা তথ্য সরবরাহ করে বন বিভাগের কর্মকর্তা সহ মৎস্য ব্যবসায়ীদেরকে হয়রানী করছে। জানা গেছে সম্প্রতি বিভিন্ন পত্রিকায় বন বিভাগের সহয়তায় অভয়ারণ্য মাছ শিকার চলছে বলে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। ঐ সংবাদে যে সকল তথ্য প্রদান করা হয়েছে তা বাস্তবের সাথে কোন মিল নেই।  একটি সুত্রে জানা গেছে, একটিি মহল বন বিভাগের নিষিদ্ধ এলাকায় মাছ ও কাঁকড়া ধরার জন্য প্রতিনিয়ত চাপ সৃষ্টি করছে। তবে বন বিভাগ কঠোর থাকায় তারা ঐ সকল জায়গায় মাছ ও কাঁকড়া ধরতে যেতে পারছেনা। আর সেই বিষয়টি কেন্দ্র করে বন বিভাগের লোকদের হয়রানি করতে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে হয়রানী করা হচ্ছে। ঐ সংবাদে যাদের নাম উল্লেখ্য করা হয়েছে তাদের সুন্দরবনের কোন ব্যবসা নেই। কয়রার গোবিন্দপুর এলাকার মৎস্য ব্যবসায়ী কামরুল ইসলাম বলেন, দির্ঘদিন যাবৎ তিনি সুন্দরবনে মাছের ব্যবসা করে আসছে। তবে তার জেলেরা নিষিদ্ধ এলাকায় মাছ ধরেনা। সম্পুর্ন হয়রানী করার জন্য তার নামটি ব্যবহার করা হয়েছে। তিনি মিথ্যা ঘটনার তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।  ঐ সংবাদে প্রকাশ করা হয়েছে নিষিদ্ধ  এলাকায় মিন্টু গংদের ৩০ খানা নৌকায় মাছ ধরে থাকে। কয়রার মিন্টু সানা বলেন, তার অভয়ারণ্যে এলাকায় কোন ব্যবসা সেই। সম্পুর্ন তাকে হয়রানী করার জন্য তার নাম ব্যবহার করা হয়েছে। তবে বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, নিষিদ্ধ এলাকায় যাতে কোন অসাধু জেলেরা প্রবেশ করতে না পারে তার জন্য টহল কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হয়েছে। ইতিমধ্যে অভয়ারণ্যে এলাকায় প্রবেশ করায় অনেক জেলেকে আটক করে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে। এ ছাড়া তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করা হ সুন্দরবনের অভয়ারণ্যে এলাকায় যাতে করে জেলে মাছ ও কাঁকড়া শিকার করতে না পারে তার জন্য বন বিভাগের ম্মার্ট টিম ও বিশেষ টিমের অভিযান চলমান রয়েছে।