কপোতাক্ষ নিউজে খালি থাকা সাপেক্ষে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। অতিস্বত্তর সম্পাদকের সাথে যোগাযোগ করুন।

রাণীনগর উপজেলা বিএনপির বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত

রাণীনগর উপজেলা বিএনপির বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত
Uploaded Image
রাণীনগর উপজেলা বিএনপির বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত

মোঃ ফিরোজ আহমেদ ,রাজশাহী ব্যুরোঃ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) রাণীনগর উপজেলা শাখার বর্ধিত সভা–২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে দলকে আরও শক্তিশালী ও সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে আয়োজিত এই সভায় নেতাকর্মীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নওগাঁ-০৬ (রাণীনগর-আত্রাই) আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব শেখ মোঃ রেজাউল ইসলাম রেজু। তিনি তার বক্তব্যে দলীয় ঐক্য, সংগঠনকে তৃণমূল পর্যায়ে আরও সক্রিয় করা এবং আগামীর রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নেতাকর্মীদের প্রস্তুত থাকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এসময় তিনি বলেন, একটি শক্তিশালী সংগঠন গড়ে তুলতে সকল স্তরের নেতাকর্মীদের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে এবং দলের আদর্শকে সাধারণ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে। সভায় স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উক্ত অনুষ্ঠানের আয়োজন করে রাণীনগর উপজেলা বিএনপি, নওগাঁ।

মোহনগঞ্জ উপজেলাবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন গোলাম এরশাদুর রহমান

মোহনগঞ্জ উপজেলাবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন গোলাম এরশাদুর রহমান
Uploaded Image
মোহনগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গোলাম এরশাদুর রহমান
মোহনগঞ্জ (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি: মোহনগঞ্জ উপজেলা সহ দেশবাসীকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গোলাম এরশাদুর রহমান । সোমবার (১৩ ই এপ্রিল) এক শুভেচ্ছা বার্তায় গোলাম এরশাদুর রহমান জানান, মানুষের জীবন থেকে চিরতরে হারিয়ে গেলো সুখ ও দুঃখে ভরা একটি বছর। ১৪৩৩ বাংলার সকল চাওয়া পাওয়াকে অতীত করে আগামীর প্রত্যয়ে আরেকটি বছরের নতুন সূর্যোদয় হবে সেটিই আমার প্রত্যাশা।সেই বছরটি যেন প্রাপ্তিতে ভরপুর হয় সবার জীবন।তিনি আরও বলেন,সেই সাথে পুরাতন বছরের দুঃখ,হতাশা ভুলে আমার জন্মভূমি মোহনগঞ্জ উপজেলার সর্বস্থরের জনসাধারণসহ দেশ ও প্রবাসে অবস্থানরত সকলের আগামীর দিন হোক আরো সুন্দর ও সুখময়। নতুন বছরের দিনগুলো কেটে যাক অনাবিল শান্তিতে। সুখ-স্বাচ্ছন্দে ভরে উঠুক সবার জীবন।


কয়রায় বৃষ্টির পানি সংরক্ষণাধারের সরঞ্জাম বিতরণ

কয়রায় বৃষ্টির পানি সংরক্ষণাধারের সরঞ্জাম বিতরণ
Uploaded Image কয়রা(খুলনা)প্রতিনিধিঃ কয়রার প্রত্যন্ত জনপদের ২৪ পরিবারের সদসঢদের মাঝে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণাধারের সরঞ্জাম বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) বিকাল ৩ টায় লির্ডাসের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এই পানির সরঞ্জাম বিতরণ করা হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আব্দুল্লাহ আল বাকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কয়রা-পাইকগাছার সংসদ সদস্য মাওলানা আবুল কালাম আজাদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মিজানুর রহমান ও প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ শরিফুল আলম। এ উপলক্ষে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মাওলানা জিএম রফিকুল ইসলাম, উপজেলা ক্লাইমেট এ্যাকশন ফোরামের সভাপতি রাসেল আহমেদ, সম্পাদক ফরহাদ হোসেন, লির্ডাসের লাইভলিহুড অফিসার বিপ্লব কুন্ডু, প্রজেক্ট অফিসার  এস এম আফজাল হোসেন, কয়রা  প্রজেক্ট অফিসার মো: শাহজালাল হোসেন, কয়রার কমিউনিটি মোভিলাইজার সঞ্চয় কুমার বাইন প্রমুখ। 
পানির ট্যাংক নিতে আসা উপকারভোগী নাজমা খাতুন  জানান, ট্যাংক পেয়ে আমি অত্যান্ত খুশি। বিশেষ করে শুষ্ক মৌসুমে পানি সংকট দেখা দেয় তখন দূরের পুকুর থেকে পানি এনে খেতে হয়। পানির ট্যাংকটি পেয়ে আমার অনেক উপকার হবে। 

এসময়  সরঞ্জমাদি বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ততার কারণে সুপেয় পানির সংকট দীর্ঘদিনের সমস্যা। বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ব্যবস্থা এ সংকট নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। এর মাধ্যমে পরিবারগুলো সহজেই নিরাপদ পানি সংগ্রহ করতে পারবে এবং স্বাস্থ্যঝুঁকিও কমবে।

সুন্দরবনে ছোট জাঙ্গীর  বাহিনীর অত্যাচারে অতিষ্ট জেলে বাওয়ালীরা

সুন্দরবনে ছোট জাঙ্গীর  বাহিনীর অত্যাচারে অতিষ্ট জেলে বাওয়ালীরা
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সুন্দরবনের গহীন অরণ্যে আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে বনদস্যুদের তৎপরতা। দস্যু বাহিনীর পুনরুত্থানের খবরে উপকূলীয় অঞ্চলের বনজীবী ও শ্রমজীবী মানুষের মাঝে তীব্র আতঙ্ক বিরাজ করছে। এর মধ্যে ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনীর অত্যাচারে জেলে বাওয়ালীরা অতিষ্ট হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে মধু আহরণ মৌসুম শুরু হলেও দস্যু ভয়ে বনের ভেতরে প্রবেশ করতে সাহস পাচ্ছেন না মৌয়ালরা। একইভাবে জেলে ও বাওয়ালীরাও চরম উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন। ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনী নির্যাতন চালালে তারা জেলেদেরকে বলে করিম শরীর বাহিনীর কথা বলবি। ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনীর সাথে উপরে অনেকের সাথে সখ্যতা রয়েছে।  

Uploaded Image এছাড়াও আলামিন বাহীনির অত্যাচরে নির্যাতনে অতিষ্ঠ এ রৎস্যর বিষয়টি জেলেরা জানায়। স্থানীয় জেলে ও বাওয়ালীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত কয়েক বছরে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ও দস্যু দমনের ফলে সুন্দরবনে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছিল। তবে গত এক বছরে পরিস্থিতির আবার অবনতি হয়েছে। বনদস্যুরা জেলেদের জিম্মি করে অর্থ আদায়, হুমকি এবং নির্যাতন চালাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। মধু আহরণ মৌসুম শুরু হওয়ায় দস্যুদের তৎপরতা আরও বেড়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন দস্যু চক্র নতুন করে সংগঠিত হয়ে জেলেদের ট্রলারে হামলা, অপহরণের হুমকি এবং চাঁদাবাজি করছে। নাম পরিবর্তনসহ নানা কৌশলে তারা তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। একটি সূত্র জানায়, গত ৭ এপ্রিল সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জ এলাকায় আতিয়ার রহমান নামে এক কাঁকড়া জেলে গুলিবিদ্ধ হন। এ ঘটনায় বিভিন্ন দস্যু বাহিনীর সম্পৃক্ততা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।
জেলেদের দাবি, কোনো কোনো দস্যু বাহিনী কেবল অর্থ আদায় করেই ক্ষান্ত থাকলেও অন্যরা চরম নির্যাতন চালাচ্ছে। তার মধ্যে আলামীন বাহিনি, ছোট জাহাঙ্গীর বাহীনি  অনেক ক্ষেত্রে প্রতি নৌকায় ১ থেকে দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত চাঁদা দাবি করা হচ্ছে, যা অধিকাংশ মৌয়াল ও জেলেদের পক্ষে দেওয়া সম্ভব নয়। তবে অনেক জেলেরা জানায়, করিম শরীর বাহিনী জেলেদের নিকট হতে অল্প ধার্যকৃত টাকা নিয়ে সন্তষ্ট থাকে। তারা জেলেদের উপর নির্যাতন চালায় না। ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনী এখন সুন্দরবনের মুর্তিমান আতন্ক। মৌয়ালরা জানান, বছরের এই সময়টি মধু সংগ্রহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু জীবনের ঝুঁকির কারণে অনেকেই বনে যেতে পারছেন না। ফলে জীবিকা নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছেন তারা।
এ বিষয়ে বন বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, সুন্দরবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে টহল জোরদার করা হয়েছে। বনরক্ষী বাহিনীর পাশাপাশি কোস্ট গার্ড ও নৌ-পুলিশও সক্রিয় রয়েছে। তবে বনজীবীদের দাবি, শুধু টহল নয়—গহীন বনে দস্যুদের আস্তানা চিহ্নিত করে নিয়মিত বিশেষ অভিযান পরিচালনা করতে হবে। অন্যথায় সুন্দরবননির্ভর হাজারো পরিবার জীবিকার সংকটে পড়বে এবং সরকারও বিপুল রাজস্ব হারাবে।

কয়রায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা

কয়রায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির  সভা


কয়রা(খুলনা)প্রতিনিধিঃ কয়রা উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির ত্রৈ- মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) বেলা ১১ টায় কারিতাস ডিআরআরসিসিএ প্রকল্পের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা কৃষি অফিসার তীলক কুমার ঘোষের সভাপতিত্বে ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার মোঃ আব্দুল্লাহ আল জাবিরের পরিচালনায় এ উপলক্ষে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ তদন্ত মোঃ শাহ আলম, প্রানী সম্পদ অফিসার ডাঃ শুভ বিশ্বাস, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার তপন কুমার কর্মকার, উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মিজানুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব নুরুল আমিন বাবুল, খুলনা জেলা বিএনপির সদস্য এম এ হাসান, কয়রা উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ শরিফুল আলম, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী ইস্তিয়াক আহমেদ, সহকারী যুব উন্নয়ন অফিসার মোঃ আকরাম হোসেন, ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নুরুল ইসলাম কোম্পানি, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ রিয়াছাদ আলী, সাংবাদিক শেখ মনিরুজ্জামান মনু উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার মোঃ আঃ ছালাম, বাজার কমিটির সভাপতি সরদার জুলফিকার আলম, কারিতাস ডিআরআরসিসিএ প্রকল্পের কয়রার ম্যানেজার মোঃ মিজানুর রহমান, মিল অফিসার মিল্টন মন্ডল প্রমুখ। সভায় দুর্যোগ ব্যবস্থায় ভাল কাজ করার জন্য কারিতাসকে সাধুবাদ জানানো হয়। এ ছাড়া কারিতাসের প্রকল্পের মেয়াদ সম্পন্ন হওয়ায় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। 

কেশবপুরে বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির সম্মেলন

কেশবপুরে বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির সম্মেলন
কেশবপুর (যশোর) সংবাদদাতাঃ যশোরের কেশবপুরে বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির ২১তম বার্ষিক সাধারণ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার কেশবপুর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় চত্বরে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সমিতির সভাপতি ও কালিয়ারই মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এস. এম. মুনজুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সহ-সভাপতি সুপ্রভাত কুমার বসুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সংসদ সদস্য অধ্যাপক মোক্তার আলী। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শেখ ফিরোজ আহমেদ, কেশবপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম, কেশবপুর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মান্নান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেশবপুর পৌর শাখার আমির জাকির হোসেন, কেন্দ্রীয় ছাত্রশিবিরের সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক সাইদুর রহমান এবং সমিতির সাধারণ সম্পাদক বাসুদেব সেন গুপ্তসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। 

পীর হত্যাসহ চলমান মব বন্ধের দাবিতে প্রদীপ প্রজ্জলন ও কালো পতাকা প্রদর্শন

পীর হত্যাসহ চলমান মব বন্ধের দাবিতে প্রদীপ প্রজ্জলন ও কালো পতাকা প্রদর্শন
Uploaded Imageপ্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ  পীর হত্যাসহ চলমান মব বন্ধের দাবিতে প্রদীপ প্রজ্জলন ও কালো পতাকা প্রদর্শন এবং বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে। নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবি। ১২ এপ্রিল রবিবার সন্ধ্যায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে নতুনধারার চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদীর সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য রাখেন প্রেসিডিয়াম মেম্বার বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা, ভাইস চেয়ারম্যান চন্দন সেনগুপ্ত, সাংগঠনিক সম্পাদক আল আমিন বৈরাগী প্রমুখ। এসময় মোমিন মেহেদী বলেন, নির্মম হলেও সত্য আজ জাতীয় জীবনের মানুষের দাম প্রতিনিয়ত কমছে, বাড়ছে চালের দাম- তেলের দাম, ডালের দামসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম। শুধু এখানেই শেষ নয়; অন্তবর্তী সরকারের ১৮ মাসের মব-তথাকথিত তৌহিদী জনতা আর রাষ্ট্রিয় বিভিন্ন বাহিনীর পাশাপাশি সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী মহলে লুকিয়ে থাকা দেশ-স্বাধীনতা ও জনতা বিরোধীচক্রটি এখানো নির্মমতাকে উশকে দিচ্ছে। যে কারণে যেখানে সেখানে হামলা বন্ধ হয়নি, মিথ্যে মামলা বন্ধ হয়নি, ধর্ষণ কমেনি, থামেনি নির্মম হত্যাকাণ্ডও। এমতবস্থায় আমরা চাই কঠোর পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে মববাজ-জামায়াত-শিবির-স্বাধীনতা বিরোধীদেরকে সরকার প্রতিহত করবে, বিচারের আওতায় আনবে এবং বাংলাদেশের মানুষকে সুরক্ষা দেয়ার ব্যবস্থা করবে। ভুলে যাবেন না, জুলাই বড় নয়; বড় বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ। ‘জন সুরক্ষা আইন’ দেশের সর্বস্তরের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন। আলাদা করে জুলাই সুরক্ষা আইন-এর মাধ্যমে মানুষের মধ্যে বৈষম্য সৃষ্টি করার মত ভুল সিদ্ধান্ত নিলে দেশের মানুষ তা মেনে নেবে না।

এসময় নেতৃবৃন্দ বলেন, জুলাই চেতনা বিক্রি করে এমপি হওয়া ৬ জনের একজন নাহিদ বলেছেন ‘ইউনূস সমঝোতার মধ্য দিয়ে বিএনপিকে ক্ষমতায় বসিয়েছে।’ একথা যেমন সত্য, তেমনই সত্য নাবালক-অসভ্য-বর্বর কিছু ছাত্র নামধারী ষড়যন্ত্রকারীকে সংদস্য করার পাশাপাশি স্বাধীনতা বিরোধীদেরকে সংসদে যাওয়ার বন্দবস্ত করেছে।   দেশের মানুষ তাদের সুরক্ষা আইনের দাবিতে মাঠে নামতে বাধ্য হবে চলমান মব-হত্যা-লুটপাট বন্ধ করা না হলে।  নেতৃবৃন্দ এসময় আরো বলেন, আমরা হাদী-দীপুর মত হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার যেমন চাই, তেমনই স্বাধীনতা বিরোধীতার অপরাধে দেশদ্রোহী জামায়াত-এনসিপিসহ ১১ দলীয় জোটের প্রতিটির নিবন্ধন বাতিল চাই। সেই সাথে সংসদে স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানসহ সকল মুক্তিযোদ্ধাকে গাদ্দার উপাধি দিয়ে ‘মুক্তিযোদ্ধারা গাদ্দার’ প্লাকার্ড প্রদর্শনের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রদ্রোহের মত অপরাধ করার শাস্তি হিসেবে ৭৪ জন স্বাধীনতা-জনতা ও দেশ বিরোধীর রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ তাদেরকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।  এসময় সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন সুফীবাদী আবদুর রহমান। 

Uploaded Image