কপোতাক্ষ নিউজে খালি থাকা সাপেক্ষে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। অতিস্বত্তর সম্পাদকের সাথে যোগাযোগ করুন।

সুন্দরবনে বেপরোয়া বনদস্যু বাহিনী জেলেদের উপর চালাচ্ছে নির্মম নির্যাতন

 সুন্দরবনে বেপরোয়া  বনদস্যু বাহিনী জেলেদের উপর চালাচ্ছে নির্মম নির্যাতন


স্টাফ রিপোর্টারঃ সুন্দরবনের গহীন অরণ্যে আবারও বাড়তে শুরু করেছে বনদস্যুদের তৎপরতা। দস্যুবাহিনীর নতুন করে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার খবরে উপকূলীয় অঞ্চলের বনজীবী ও শ্রমজীবী মানুষের মাঝে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে মধুর মৌসুম শুরু হলেও  দস্যু আতঙ্কে বনের ভেতরে প্রবেশ করতে সাহস পাচ্ছেন না মৌয়ালরা। শুধু মৌয়াল নয়, সুন্দরবনের নদ-নদীতে মাছ ও কাঁকড়া আহরণকারী জেলে এবং বাওয়ালীরা চরম উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন। 

জেলে বাওয়ালীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, গত কয়েক বছরে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ও দস্যু দমনে সাফল্যের ফলে সুন্দরবনে শান্তি ফিরে আসে জেলেদের মাঝে। তবে বিগত ১ বছরে আবারও বনদস্যু বাহিনী বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। তারা জেলেদেরকে জিম্মি করে অর্থ আদায়ের পাশাপাশি নানা নির্যাতন শুরু করেছে। সম্প্রতি মধু আহরন মৌসুম শুরু হলে সব বাহিনী গুলো সক্রিয় হয়ে উঠে। তারা মৌয়ালদের নিকট অতিরিক্ত অর্থ আদায় করার জন্য নানা হুমকি ধামকি অব্যাহত রেখেছে। দস্যু চক্র নতুন করে সংগঠিত হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। বিভিন্ন এলাকায় মৌয়াল ও জেলেদের ট্রলারে হামলা এবং অপহরণের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আবার দুই এক বাহিনী বেপরোয়া অত্যাচার করলেও নাম বদলে নানা ধরনের কৌশল অবলম্বন করছে। 

বিশেষ একটি সুত্রে জানা গেছে  গত ৭ এপ্রিল সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জ এলাকায় আতিয়ার রহমান নামের এক কাঁকড়া জেলে কলাগাছিয়া এলাকায়  গুলিবৃদ্ধ হন। মজনু আলিফ বাহিনী এই তান্ডব লিলা চালায়। তবে বিভিন্নভাবে প্রচারনা চালানো হয়েছে ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনী তার উপর গুলি চালায়। আলিফ বাহিনীর এই ঘটনাটি ভিন্নখাতে নেওয়ার জন্য ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনীর উপর চালানো হচ্ছে। এর রহস্য কারন জানতে পারছেনা ভুক্তভোগীরা। মজনু বাহিনী ঐ এলাকায় নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। অনেক জেলেরা জানায়, ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনী জেলেদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে ক্ষান্ত থাকেন অন্য বাহিনীর মতো নির্যাতন চালায় না। জানা গেছে গত বছরের তুলনায় এ বছর অনেক কম মৌয়ালরা মধু আহরন করতে গেছে সুন্দরবনে। তবে বনদস্যুদের সাথে অর্থের বিনিময়ে সমজতা করতে পারলে অনেকেই গহীন বনে যাবে তারা মধু আহরন করতে । 


মৌয়ালরা জানান, মধু সংগ্রহের জন্য এই সময়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তারা বনের ভেতরে যেতে পারছেন না। অন্যদিকে, জেলেরা বলছেন, দস্যুদের চাঁদা না দিলে বনের খালে মাছ ধরা অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। মাঝিদেরও পোহাতে হচ্ছে একই দুর্ভোগ। অনেক মৌয়ালরা বলেন, প্রতি নৌকায় ১ থেকে দেড় লাখ টাকা দাবি করা হচ্ছে। যা কোন মৌয়ালদের পক্ষে সম্ভব নয়। 

এ বিষয়ে বন বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, সুন্দরবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা সজাগ রয়েছে। দস্যু দমনে বন রক্ষীদের পাশাপাশি কোস্ট গার্ড ও নৌ-পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে। বনজীবীদের আশ্বস্ত করে প্রশাসন বলছে, বনের ভেতর জানমালের নিরাপত্তা দিতে সম্ভাব্য সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তবে সাধারণ বনজীবীদের দাবি টহল কার্যক্রম চালানোর পাশাপাশি গহীন বনে দস্যুদের আস্তানা গুঁড়িয়ে দিতে নিয়মিত বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হোক। অন্যথায় বনের ওপর নির্ভরশীল হাজার হাজার পরিবার অনাহারে দিন কাটাবে।  এতে করে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাবে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা বিল’ পাস করায় নিন্দা জানিয়ে বিবৃতিচাচা-ভাতিজার সংসদে দেশবিরোধীদের দায় মুক্তি দেয়া হচ্ছে : নতুনধারা

 জুলাই গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা বিল’ পাস করায় নিন্দা জানিয়ে বিবৃতিচাচা-ভাতিজার সংসদে দেশবিরোধীদের দায় মুক্তি দেয়া হচ্ছে : নতুনধারা


প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ জুলাই গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা বিল’ পাস-এর মাধ্যমে জুলাইতে সারাদেশে হাজার হাজার পুলিশ সদস্যার ঘাতকদেরকেই নয়; চাচা-ভাতিজার সংসদে দেশবিরোধীদের দায় মুক্তি দেয়া হচ্ছে। ইতিহাস সবসময় সত্য ও সাহসের পথে চলে আর তার প্রমাণ অতিতে যেমন পেয়েছি, আগামীতেও আমরা পাবো বাংলাদেশের মানুষের সাথে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের নামে প্রতারণা করা কিছু ছাত্র নামধারীর বিচারের মাধ্যমে।


৮ এপ্রিল প্রেরিত বিবৃতিতে নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী, প্রেসিডিয়াম মেম্বার বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা, ভাইস চেয়ারম্যান চন্দন সেনগুপ্ত ও যুগ্ম মহাসচিব ওয়াজেদ রানা আরো বলেন, এই বিল পাস-এর মাধ্যমে দেশ-সরকারের বিরুদ্ধে দেশ বিরোধী-ষড়যন্ত্রকারীদেরকে যে কোনো সময় সহিংস উঠতে প্রেরণা যোগানো হচ্ছে। পুলিশ সদস্যদের স্বঘোষিত ঘাতক, লুন্ঠনকারী, দখলবাজ-মববাজদেরকে দায়মুক্তি দেয়ার এই কলঙ্কময় দিনকে জাতি স্মরণিয় করে রাখবে। সাধারণ মানুষ ভেবেছিলো ম্বাধীনতার ঘোষকের সন্তান স্বাধীনতা বিরোধী-যুদ্ধাপরাধী- দেশবিরোধী ও তাদের সমর্থকদেরকে শাস্তির আওতায় আনবে, বাংলাদেশের রাজপথে তারা যেন থাকতে পারে, সেই লক্ষ্যে তাদের রাজনৈতিক জোট ও দলগুলোকে নিষিদ্ধ করবে। কিন্তু বাস্তবতা সম্পূর্ণ উল্টো। কেবলমাত্র ক্ষমতার জন্য বিএনপি সরকার আজ জাতীয় শত্রু জামায়াত-এনসিপিসহ কিছু ছাত্রনামধারী ষড়যন্ত্রকারীকে দায় মুক্তি দিয়ে প্রমাণ করলো বিএনপির মুখে ‘স্বাধীনতা’ হলেও অন্তরে স্বাধীনতা বিরোধীতা আর যুদ্ধাপরাধীদের সাথে গভীর সম্পর্ক।

আমরা ঘৃণা ভরে এই বিলকে প্রত্যাখান করছি এবং প্রধানমন্ত্রীর কাছে আহ্বান জানাচ্ছি- একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে আপনার দলীয় সংসদ সদস্যদেরকে সাথে নিয়ে এই বিলকে ‘না’ বলুন; কেননা, জুলার ভেতরেই লকিয়ে ছিলো স্বাধীনতা বিরোধীদের সমর্থকগোষ্ঠি। যারা আপনার বিরুদ্ধেও খুব নিকট ভবিষ্যতে ষড়যন্ত্র করবে বলে ধারণা করছি। বিবিৃতিতে নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, সংসদের বৈধতা নিয়ে এনসিপির নেতারা বলছে- ‘ইউনূস সমঝোতার মধ্য দিয়ে বিএনপিকে ক্ষমতায় বসিয়েছে।’ যদি তাই-ই হয়, তাহলে তো এনসিপি-জামায়াত-বিএনপি সবারই সংসদ সদস্য পদ অবৈধ।  তার উপর আবার এনসিপিকে নিয়ে স্বাধীনতা বিরোধী-যুদ্ধাপরাধীদের রাজনৈতিক দল জামায়াত জোটও করেছে। যারা বাংলাদেশ চায়নি, তারা এখন বাংলাদেশের ক্ষমতায় আসার জন্য নির্মমতায় মেতে উঠছে একের পর এক। তারা সেই লক্ষ্যে দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রকারীদের দ্বারা স্বাধীনতা বিরোধী দলগুলোর মধ্য থেকে ৭৪ জন সংসদে যাওয়ারও ব্যবস্থা করেছে। শুধু কি এখানেই শেষ, সংসদে গিয়ে তারা বলছে- ‘জুলাই যেখানে সেখানে মুক্তিযুদ্ধেও ইতিহাস প্রয়োজন নেই। এমতবস্থায় আমরা দেশ বিরোধী এই দলগুলোর নিবন্ধন যেমন বাতিল চাই, ঠিক তেমনি একাত্তরে ও চব্বিশে সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে খেলবার অপরাধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিও চাই। স্বাধীনতা বিরোধীতার অপরাধে দেশদ্রোহী জামায়াত-এনসিপিসহ ১১ দলীয় জোটের প্রতিটির নিবন্ধন বাতিলের দাবি এখন ৯ কোটি সাধারণ ভোটারের, যারা স্বাধীনতা বিরোধীদের রাজনীতি বাংলাদেশে দেখতে চায় না।

শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন
প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ  (শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন)   দ্যোতনা সাহিত্য পরিষদ, যশোর এর  সম্মানিত সহ-সভাপতি, বিশিষ্ট আইনজীবী, সৃজনশীল লেখক, গীতি -কবি, সাহিত্যিক, জিএম আবু মুছা (জিএম মুছা) সম্প্রতি বাংলাদেশ বেতার, ঢাকা কেন্দ্রের তালিকা ভুক্ত গীতিকার হওয়ায় দ্যোতনা সাহিত্য পরিষদ, যশোর এর পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন দ্যোতনা সাহিত্য পরিষদ, যশোর এর পক্ষ থেকে সংগঠনের সম্মানিত সভাপতি।


 Uploaded Image Uploaded Image Uploaded Image

কেশবপুর তেল পাম্পে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের অভিযান

কেশবপুর তেল পাম্পে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের অভিযান
কেশবপুর( যশোর) সংবাদদাতা:-শনিবার কেশবপুর উপজেলার তিনটি তেল পাম্পে  উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রেকসোন খাতুন অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় রেজিস্ট্রেশন বিহীন আটটি মোটরসাইকেল জব্দ করেন। এছাড়া অবৈধভাবে মোটরসাইকেল থেকে তেল বের করে বতল জাত করার অপরাধে হৃদয় নামক এক ব্যক্তিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় জবতোকৃত ৪ লিটার পেট্রোল কেশবপুর পাম্পে প্রদান করা হয়। 

Uploaded Image
কেশবপুর মোটরসাইকেল থেকে তেল বের করে বোতল জাত করার অপরাধে  হৃদয় নামক এক ব্যক্তিকে ১০ হাজার টাকা  জরিমানা।

ঝিমটি বাজার বড় জামে মসজিদে মুসল্লীদের সাথে ওসি'র মতবিনিময়

 ঝিমটি বাজার বড় জামে মসজিদে মুসল্লীদের সাথে ওসি'র মতবিনিময়


 মোহনগঞ্জ (নেত্রকোনা) প্রতিনিধিঃ  নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলার ২ নং বড়তলী বানিহারী ইউনিয়নের ঝিমটি বাজার বড় জামে মসজিদের মুসল্লীদের সাথে মতবিনিময় করছেন মোহনগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাফিজুল ইসলাম হারুন।আজ শুক্রবার জুমার নামাজের আগে মুসল্লীদের সাথে মাদক, ইভটিজিং, বাল্যবিবাহ, আত্মহত্যা সহ সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন তিনি। এসময় তিনি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সকলের সহযোগিতা চান। 

তিনি মাদক মুক্ত মোহনগঞ্জ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করছেন বলে জানান। এবং সকলকে মাদক সেবী বা মাদক কারবারি যে কেউ হোক তার অবস্থান সহ তথ্য দিয়ে পুলিশের কাজে সহযোগিতা করার অনুরোধ জানান। পরে জুমার  নামাজ শেষে  মুসল্লীদের বিভিন্ন  অভিযোগ শুনেন। মাদক বিরোধী ইউনিয়ন ভিত্তিক সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কর্ম পরিকল্পনা করেন। এ সময় মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনসহ সকল ধর্মপ্রাণ  মুসল্লীগন উপস্থিত ছিলেন।

মোহনগঞ্জ মহিলা কলেজে শিক্ষার্থীদের সাথে ওসির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মোহনগঞ্জ মহিলা কলেজে শিক্ষার্থীদের সাথে ওসির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত


মোহনগঞ্জ (নেত্রকোনা) প্রতিনিধিঃ নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, সামাজিক মূল্যবোধ ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে ব্যতিক্রমী এক উন্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে মাদক, বাল্যবিবাহ, ইভটিজিং ও মোবাইলের অপব্যবহারসহ নানা সামাজিক সমস্যার বিরুদ্ধে জোরালো বার্তা দেন মোহনগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ হাফিজুল ইসলাম হারুন।আজ মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকাল ১০টায় মোহনগঞ্জ সরকারি ডিগ্রি কলেজ প্রাঙ্গণে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে পিতা-মাতা ও শিক্ষকদের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য, নৈতিকতা ও সামাজিক মূল্যবোধের গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি বর্তমান সমাজে মাদকের ভয়াবহতা এবং তরুণ প্রজন্মকে এর ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষার উপায় তুলে ধরা হয়।বিশেষ করে মোবাইল ফোন ব্যবহারের ভালো ও মন্দ দিক বিশ্লেষণ করে অতিরিক্ত নির্ভরতার ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সতর্ক করা হয়। এছাড়া বাল্যবিবাহের ভয়াবহ পরিণতি এবং ইভটিজিংয়ের কারণে একটি মেয়ের জীবনে নেমে আসা করুণ বাস্তবতার চিত্র তুলে ধরা হলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পড়ে।

এ সময় মোহনগঞ্জ থানার ওসি মোঃ হাফিজুল ইসলাম হারুন তার বক্তব্যে বলেন, বর্তমান সময়ে শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যপুস্তকভিত্তিক জ্ঞান অর্জনই যথেষ্ট নয়,তাদের নৈতিকতা, সামাজিক মূল্যবোধ ও দায়িত্ববোধ সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে। পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সম্মিলিত প্রচেষ্টায়ই একটি সুস্থ ও সচেতন প্রজন্ম গড়ে তোলা সম্ভব।তিনি আরও বলেন, মাদক এখন আমাদের সমাজের সবচেয়ে বড় হুমকি। তরুণ প্রজন্মকে এই ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে হলে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে মোবাইল ফোনের অপব্যবহার, বাল্যবিবাহ ও ইভটিজিংয়ের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের সচেতন হওয়া অত্যন্ত জরুরি।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়তে হলে সঠিক পথে থাকতে হবে, খারাপ সঙ্গ পরিহার করতে হবে এবং আইন মেনে চলতে হবে। তোমরাই আগামীর বাংলাদেশ—তোমাদের মাধ্যমেই একটি সুন্দর, নিরাপদ ও মানবিক সমাজ গড়ে উঠবে।উন্মুক্ত এ আলোচনা সভায় শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে এবং বিভিন্ন বিষয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরে। আয়োজকরা জানান, এ ধরনের সচেতনতামূলক আয়োজন ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে, যা তরুণ প্রজন্মকে ইতিবাচক পথে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

নওগাঁর আত্রাইয়ে সিগারেট কেনার টাকা না পেয়ে মা ও ছেলেকে পিটিয়ে জখম

নওগাঁর আত্রাইয়ে সিগারেট কেনার টাকা না পেয়ে মা ও ছেলেকে পিটিয়ে জখম

Uploaded Image

মোঃ ফিরোজ আহম্মেদ,রাজশাহী ব্যুরোঃ  নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলায় সিগারেট কেনার টাকা না দেওয়ায় এক যুবক ও তাঁর মাকে পিটিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে। আত্রাই উপজেলার ৮ নং হাট কালুপাড়া ইউনিয়নের বড়শিমলা গ্রামে গত ৪ এপ্রিল বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মোসাঃ সুফিয়া বিবি (৫০) বাদী হয়ে আত্রাই থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে বড়শিমলা গ্রামের জনৈক ইউসুফ আলীর দোকানের সামনে সুফিয়া বিবির ছেলে মোঃ হাবিব ইসলামের কাছে সিগারেট কেনার জন্য টাকা দাবি করেন একই গ্রামের মোঃ আঃ কুদ্দুস ওরফে সাগর (৩০)। হাবিব টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সাগর তাঁকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন। এক পর্যায়ে সাগরের বাবা মোঃ সোহরাব হোসেনের (৫৫) নির্দেশে সাগর বাঁশের লাঠি দিয়ে হাবিবকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। হাবিব মাটিতে পড়ে গেলে সাগর তাঁর বুকের ওপর চেপে বসে গলা টিপে ধরে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা চালান। এ সময় ছেলেকে বাঁচাতে মা সুফিয়া বিবি এগিয়ে এলে বিবাদীরা তাঁকে কিল, ঘুষি ও লাথি মেরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করেন।

পরে স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ লুৎফর রহমানসহ প্রত্যক্ষদর্শীরা এগিয়ে এলে বিবাদীরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। আহত অবস্থায় মা ও ছেলেকে উদ্ধার করে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। আত্রাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বরাবর দেওয়া অভিযোগে সুফিয়া বিবি উল্লেখ করেন, পারিবারিক ও পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এই পরিকল্পিত হামলা চালানো হয়েছে। তিনি এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে আত্রাই থানার ডিউটি অফিসারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, "অভিযোগটি আমরা পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"