কপোতাক্ষ নিউজে খালি থাকা সাপেক্ষে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। অতিস্বত্তর সম্পাদকের সাথে যোগাযোগ করুন।

কেশবপুরের সেনাবাহিনীর তত্বাবধনে জলাদ্ধতা নিরসনে পাউবো’র কাজ দ্রুততার সাথে এগিয়ে চলছে

 কেশবপুরের সেনাবাহিনীর তত্বাবধনে জলাদ্ধতা নিরসনে পাউবো’র  কাজ দ্রুততার সাথে এগিয়ে  চলছে
মোল্যাআব্দুস সাত্তার, কেশবপুর (যশোর) বন্যা ও স্থায়ী জলাবদ্ধতা নিরসনে কেশবপুর উপজেলার ৩ নদী ও ১০ সংযোগ খাল পুনঃখননে পাউবো প্রায় ১৪০ কোটি টাকার কাজ চলমান রয়েছে। সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে ৩ নদীর ৮২ কিলোমিটার ও পাউবো’র তত্ত্বাবধানে ১০ খালের ৩১ কিলোমিটার খনন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এরফলে অপূর্ণই রয়েগেছে, জনগণের দীর্ঘদিনের নদী অববাহিকায় টিআরএম বাস্তবায়ন ও পোল্ডারে আবদ্ধ নদ-নদী উন্মুক্তের দাবি। 
জানা গেছে, কেশবপুর ও মনিরামপুর উপজেলার বর্ষার অতিরিক্ত পানি হরিহর, বুড়িভদ্রা ও আপারভদ্রা নদী দিয়ে হরি নদীতে নিষ্কাশন হয়। এসব নদীর সংযোগ খালে পাউবোর ৯১টি স্লুইচ গেট ও অসংখ্য পোল্ডার রয়েছে। এসব পোল্ডারের দু‘পাশ পলিতে ভরাট হয়ে পানি নিষ্কাশন বন্ধ রয়েছে। এরফলে প্লাবনভূমির সঙ্গে নদীর সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে বর্তমানে হরি, আপারভদ্রা ও হরিহর নদীতে জোয়ার-ভাটা উঠে না। নদীগুলো বদ্ধ জলাশয়ে পরিণত হয়ে বন্যায় রূপ নিচ্ছে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রায় ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে এসব নদী খনন করা হলেও এক বছর না যেতেই নদীগুলো আবারও পলিতে ভরাট হয়ে যায়। একারণে নদী অববাহিকার জনগণ দীর্ঘদিন ধরে হরি নদীর বিল কপালিয়ায় টিআরএম বাস্তবায়ন ও পোল্ডারে আবদ্ধ নদ-নদী উন্মুক্তের দাবি জানিয়ে আসছে। কিন্তু জনগণের এদাবি উপেক্ষা করে আবারও পাউবো নদী খনন প্রকল্প গ্রহণ করে। 

Uploaded Image
 কেশবপুরের সেনাবাহিনীর তত্বাবধনে জলাদ্ধতা নিরসনে পাউবো’র  কাজ দ্রুততার সাথে এগিয়ে  চলছে

পাউবো সূত্রে জানায়, চলতি বছর হরি নদীর খর্নিয়া ব্রিজ থেকে ভবদহের ২১ ভেন্ট স্লুইস গেট পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার, হরি নদীর শাখা আপারভদ্রার কাশিমপুর থেকে মঙ্গলকোট ব্রিজ পর্যন্ত ১৮.৫০ কিলোমিটার, বড়েঙ্গার তিন নদীর মোহনার জিরো পয়েন্ট থেকে কেশবপুর ও মনিরামপুর হয়ে রাজগঞ্জ রোর্ড পর্যন্ত হরিহর নদীর ৩৫ কিলোমিটার সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে এবং ১০টি সংযোগ খালের মধ্যে নুরানিয়ার-৬.৫ কিলোমিটার, বাদুড়িয়ার-৩ কিলোমিটার, শাখা নদী বুড়িভদ্রার-৫ কিলোমিটার, গরালিয়ার-১.৩৫০ কিলোমিটার, কন্দর্পপুরের-১ কিলোমিটার, কাশিমপুরের-১ কিলোমিটার, ভায়নার-১.৫০ কিলোমিটার, বিল খুকশিয়ার-৭.৫০ কিলোমিটার, বুড়–লির-৩ কিলোমিটার ও পাথরার-১.৫০ কিলোমিটার খাল পাউবো’র অধীনে পুনঃখনন কাজ বাস্তবায়ন করছে। নদীর সীমানা নির্ধারণসহ সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে এসব নদী-খাল খননে ১৩৯ কোটি ৯৩ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। 
তিন নদী মোহনার বাসিন্দা বড়েঙ্গা গ্রামের আব্দুল মান্নান মোল্লা  বলেন, প্রতি শুষ্ক মৌসুমের ১৫ মাঘ থেকে নদীতে পলি আসা শুরু হয়। এজন্যে ১৫ মাঘের আগেই আপারভদ্রার কাশিমপুরে সাময়িক ক্রসবাঁধ দেয়ার দাবি জানানো হয়। কিন্তু পাউবোর বিলম্বে বাঁধ দেয়ার কারণে পলিতে নদী ভরাট হয়ে যায়। বিল কপালিয়ায় টিআরএম ছাড়াই ২০১৯ সালে পাউবো ভবদহ প্রকল্পের আওতায় ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩ নদী ও ১০ সংযোগ খাল খনন করেছিল। কিন্তু এক বছর না যেতেই নদী-খাল আবারও পলিতে ভরাট হয়ে পর পর ৪ বছর ভয়াবহ বন্যা ও স্থায়ী জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। 
হরি-ঘ্যাঁংরাইল অববাহিকার জলাবদ্ধতা নিরসন কমিটির সভাপতি ও সাবেক বাপাউবো‘র সদস্য মহিরউদ্দিন বিশ্বাস বলেন, ১৯৮৪ সালের পর থেকে পাউবো নদী-খাল খননে ডজন খানেক নানাবিধ প্রকল্প বাস্তবায়ন করে। এরমধ্যে একমাত্র টিআরএম ছাড়া, আর কোন প্রকল্পই নদীর নাব্যতা সৃষ্টি বা ধরে রাখতে পারেনি। কেশবপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড উপসহকারী প্রকৌশলী ফিরোজ আহমেদ বলেন, নদী-খাল সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে খনন চলছে। তারাই দেখভাল করছে। আমাদের বলার কিছুই নেই। 

শ্যামনগরে ২০০ জন নারী-পুরুষকে লবণ সহনশীল বীজ, জৈব সার, জিও ব্যাগ ও পানির ঝাঁঝরি বিতরণ

শ্যামনগরে ২০০ জন নারী-পুরুষকে লবণ সহনশীল বীজ, জৈব সার, জিও ব্যাগ ও পানির ঝাঁঝরি বিতরণ
পরিতোষ কুমার বৈদ্য,শ্যামনগর(সাতক্ষীরা) প্রতিনিধিঃ বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ফেইথ ইন এ্যাকশন গাবুরা ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ড এর ১৫টি গ্রামে কানাডিয়ান দাতা সংস্থা ওয়ার্ল্ড রিনিউ এর আর্থিক সহযোগিতায় জলবায়ু সহনশীল জনগোষ্ঠী তৈরি প্রকল্প ২০১৫ টি পরিবার নিয়ে বাস্তবায়ন করছে।

এরই ধারাবাহিকতায় ২৬ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ দুপুর ১২ টায় ফেইথ ইন এ্যাকশনের মাধ্যমে ৭১নং বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন মাঠে ২০০ জন প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত নারী ও পুরুষকে জলবায়ু অভিযোজন কৃষি চর্চা বাড়াতে প্রত্যেককে লবণ সহনশীল ১০ ধরণের বীজ, ৪০ কেজি জৈব সার, ৫টি জিও ব্যাগ ও ১টি পানির ঝাঁঝরি বিতরণ করা হয়।

উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্যামনগর উপজেলার উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ ওয়ালিউল ইসলাম, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো: জামাল হোসেন, উপকূলীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুল হালিম, প্রজেক্ট ম্যানেজার মিল্টন বাড়ৈ, মিল অফিসার প্রিন্স মার্ক বিশ্বাস, প্রজেক্ট অফিসার পরিতোষ কুমার বৈদ্য, জেন্ডার অফিসার নওমী বিশ্বাস ও কমিউনিটি ফ্যাসিলিটেটরবৃন্দ প্রমূখ।

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা বলেন, “গাবুরায় অন্যান্য এলাকার তুলনায় লবণাক্ততা বেশি। এখানে অভিযোজন কৃষি চর্চা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। ফেইথ ইন এ্যাকশন যে উদ্যোগ নিয়েছে তাতে গাবুরাতে অভিযোজন কৃষি চর্চা বাড়বে। এজন্য ফেইথ ইন এ্যাকশন কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।”

উপকূলীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি বলেন, “গাবুরাতে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। সেজন্য নতুন নতুন কলাকৌশল অবলম্বন করে চাষাবাদ করতে হবে। ফেইথ ইন এ্যাকশন যে বীজগুলো দিচ্ছে সেগুলো লবণ সহনশীল বীজ, জৈব সার মাটির প্রাণ, গাবুরাতে মাটির লবণাক্ততা কমাতে জৈব সারের ব্যবহার বাড়াতে হবে। ফেইথ ইন এ্যাকশন গাবুরার মানুষের পাশে থাকলে গাবুরার মানুষের জীবন-জীবিকার মান বৃদ্ধি পাবে।”

প্রধান অতিথি বলেন, গাবুরা ইউনিয়নে ফেইথ ইন এ্যাকশন কৃষি বিষয়ে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কৃষি উপকরণ বিতরণ করছে সেগুলো বাড়িতে নিয়ে প্রত্যেককে কাজে লাগাতে হবে। এসব উপকরণ পেয়ে কৃষিতে অভিযোজন কৌশলগুলো চর্চা করে গাবুরাতে সবজি উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে। এমন উদ্যোগ নেওয়ার জন্য ফেইথ ইন এ্যাকশন কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। 


Uploaded Image 
 উল্লেখ্য, ফেইথ ইন এ্যাকশন সদস্যদের মাঝে মোট ২ কেজি ঢেড়স বীজ, ২ কেজি ডাটা শাক বীজ, ২ কেজি পুঁই শাক বীজ, ১ কেজি ঝিঁয়া বীজ, ১ কেজি ধন্দুল বীজ, ১ কেজি শসার বীজ, ১ কেজি চাল কুমড়ার বীজ, ১ কেজি মিষ্টি কুমড়ার বীজ, ২ কেজি কলমী শাক বীজ, ৮০০০ কেজি জৈব সার, ১০০০টি জিও ব্যাগ ও ২০০টি পানির ঝাঁঝরি বিতরণ করেছে।
Uploaded Image

বাংলার মাটি দুঃখে বলে -হাজী জয়নাল মুন্সি

বাংলার মাটি দুঃখে বলে -হাজী জয়নাল মুন্সি
 
সাটুরিয়া, মানিকগঞ্জ, বাংলাদেশ। 
এমন একজন সোনার মানুষ দেওনা খুঁজিয়া 
সে আমাকে ভালোবেসে রাখবে ধরিয়া। 
সোনার বাংলা নামটি আমার ডাকে  সর্বদেশ 
রাজনীতির প্রতিহিংসায় করছে আমায় শেষ। 
  আমার ভিতর ঢুকছে কিছু বানর হনুমান 
খামছি মেরে লুটে নিয়ে করছে বলি দান।
  দুর্নীতিতে ভরে গেছে আমার অঙ্গখানি 
দেশের জন্য কেউ ভাবেনা হলাম কলস্ককিনি।
কত রংয়ের খুন কারাপি হচ্ছে আমার বুকে 
কিযে করি,কি করিবো, থাকি মনের দূখে।
ঈমান আমল ঠিক রাখিয়া, যদি করে কাজ 
বিশ্বের মাঝে বাংলার মাটি, হইবে মাথার তাঁজ।

কালবৈশাখী ঝড়ে মৃত বেদে নারীকে দেখতে গেল জেলা পুলিশ

কালবৈশাখী ঝড়ে মৃত বেদে নারীকে দেখতে গেল জেলা পুলিশ
মোঃ রবিউল সরদার, নিজস্ব প্রতিনিধি:  কালবৈশাখী ঝড়ে মৃত বেদে নারীকে দেখতে গেল জেলা পুলিশ আত্রাই থানা এলাকার আত্রাই নদীর তীরের এক বেদে পল্লীতে। রাতে কালবৈশাখী ঝড়-বৃষ্টিতে একটি ইউক্লিপটাস গাছের নিচে চাপা পড়ে পলিথিনের টুকরি ঘরে বালিশে শোয়া অবস্থায় তিন মাসের এক প্রেগন্যান্ট মহিলা আরাফাতুন (২০)মৃত্যুবরণ করেন। ঝড়ের সময় গাছ ভেঙে পড়ে গুরুতর আহত হন, পরবর্তীতে রাজশাহী মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে তার করুন মৃত্যু হয়। 

খবর পেয়ে জেলা পুলিশের একটি দল বেদে পল্লীতে উপস্থিত হন এবং করুণ দৃশ্য অবলোকন করেন । পলিথিনের তৈরি ২৫ /৩০ টি টুকরি ঘরে ২৫/৩০ পরিবার বসবাস করে। তারা উপস্থিত হওয়ার পর তারা অনেকেই জেলা পুলিশের কাছে আসে, এবং তারা বলে তাদের বেঁচে থাকার লড়াইয়ের কথা। বিভিন্ন সময় তারা স্থান পরিবর্তন করে, এভাবেই তাদের জীবন চলছে। এবং তাদের জীবন সম্পর্কে কিছু বর্ণনা করেন তাদের বেঁচে থাকা তাদের জীবন বেশ কিছু শিশু রয়েছে, এই শিশুরা শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত। শিশুগুলো, স্কুলে যায় না পড়তে পারে না। জেলা পুলিশের দল তাদের সাথে কথা বলে। বাচ্চাদের সাথে গল্প করে। তাদের সাথে ছবি উঠায়। তাদেরকে স্কুলে যাওয়া আহবান জানায়। তারা তাদের পড়ালেখার জন্য একজন শিক্ষকের ব্যবস্থা করার কথা বলে, যা তাদের প্রাথমিক বিষয় শিক্ষাদান করবে । তাদের জন্য সামান্য নাস্তার নাস্তার ব্যবস্থা করেন। সকলের উদ্দেশ্য বলে ভাগ্যের পরিবর্তন আপনা আপনি কখনো হয় না। ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্য নিজেকেই সর্বপ্রথম চেষ্টা চালাতে হবে। সেজন্য প্রথমত দরকার ভবিষ্যৎ বংশধরের পড়াশোনা। যেখানেই আপনারা থাকেন না কেন বাচ্চাদেরকে স্কুলে পাঠাতে হবে। তবেই ভবিষ্যতে আপনাদের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে। শিক্ষা ছাড়া কখনই জীবনযাত্রার মানের পরিবর্তন হবে না।  
Uploaded Image 
বিষয়টি নিয়ে সম্মানিত জেলা প্রশাসক মহোদয়ের সাথেও শেয়ার করার কথা বলেন। বাচ্চাদের জন্য কিছু করা যায় কিনা? তিনি আনন্দ সহকারে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেন। এসব সুবিধাবঞ্চিত মানুষের প্রতি আমরা যেন সদয় হই। আমরা যেন তাদের বিপদে পাশে দাঁড়াই । কেননা আপনি একা ভালো থাকতে পারবেন না, সবাইকে নিয়েই ভালো থাকতে হবে সেখান থেকে বিদায় গ্রহণ করেন। এলাকাবাসীর দাবি জেলা পুলিশ যেন সব সময় মানবতার পাশে থাকে।

মোহনগঞ্জে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে ইউপি সদস্য গুরুতর আহত

মোহনগঞ্জে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে ইউপি সদস্য গুরুতর আহত

আহত ইউপি সদস্য শহীদ মিয়া

মোহনগঞ্জ (নেত্রকোনা) প্রতিনিধিঃ নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে মো.শহীদ মিয়া (৫০) নামে এক ইউপি সদস্যকে ছুরিকাঘাতে জখম করা হয়েছে। পরে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।আহত শহীদ মিয়া উপজেলার মাঘান-সিয়াধার ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) এক নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য।  আজ শনিবার মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুল ইসলাম হারুন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে পৌরশহরের টেংগাপাড়া এলাকায় সিএনজি অটোরিকশা স্ট্যান্ডে এ ঘটনা ঘটে। 

পুলিশ, স্থানীয় লোকজন ও ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার রাতে হ্যান্ডট্রলিতে করে শগীদ মিয়ার ধান আড়তে নিয়ে যাচ্ছিল চালক। স্থানীয় কয়েকজন মিলে ২-৩ বস্তা ধান হ্যান্ডট্রলি থেকে নামিয়ে রেখে দেয়। পরে রাত ১২টার দিকে এ বিষয়ে প্রতিবাদ জানাতে গেলে শহীদ মিয়ার পেটে একাধিকবার ছুরিকাঘাত করা হয়। আশপাশের লোজজন তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। তবে অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে রাতেই মমেক হাসাপাতালে পাঠানো হয়।  আজ শনিবার পর্যন্ত সেখানেই তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

আহত শহীদ মিয়ার ছোট ভাই শফিকুল ইসলাম বলেন, হামলাকারীদের অনেককেই আমরা চিনতে পেরেছি। ভাইয়ের জীবন বাঁচাতে তাকে নিয়ে ময়মনসিংহ চলে যাওয়ায় ওই সময় থানায় অভিযোগ করতে পারিনি। আজ বিকালে গিয়ে হামলাকারীদের নাম উল্লেখ করে এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ করা হবে। এ বিষয়ে ওসি হাফিজুল ইসলাম বলেন,  ঘটনার পরপরই এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। তবে এখনো কেউ থানায় অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

শোক সংবাদ সকলকে কাঁদিয়ে চলে গেলেন আফতাব জজ

শোক সংবাদ সকলকে কাঁদিয়ে চলে গেলেন আফতাব জজ

Uploaded Image
মোঃ রবিউল সরদার, আত্রাই প্রতিনিধি: জালালাবাদ গ্রামের কৃতি সন্তান, সকলের পরম শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব, অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ জনাব আফতাব উদ্দীন প্রামানিক গতকাল বিকেল ৫টা ৪১ মিনিটে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তিনি পরিবার-পরিজন, আত্মীয়-স্বজন, অসংখ্য গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন। কর্মজীবনে তিনি সততা, ন্যায়পরায়ণতা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে সবার শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা অর্জন করেন। ব্যক্তিজীবনেও তিনি ছিলেন অত্যন্ত সদালাপী, মানবিক, বিচক্ষণ ও পরোপকারী একজন মানুষ। তাঁর ইন্তেকালে এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

মরহুমের জানাজার নামাজ আজ বাদ জুমা তার নিজ বাসভবন, রানীনগর উপজেলাধীন মিরাট ইউনিয়নের জালালাবাদ গ্রামে অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত জানাজায় আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও সর্বস্তরের জনগণকে উপস্থিত থেকে দোয়া করার জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ জানানো যাচ্ছে। মরহুমের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করা হচ্ছে এবং মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের নিকট তাঁর রূহের মাগফিরাত কামনা করা হচ্ছে। আল্লাহ যেন তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন—এই দোয়া করা হলো।

শ্যামনগর জ্বালানী তেল বন্টনে স্বচ্ছতায় এগিয়ে গাবুরা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান, প্রশংসায় ৩ ইউনিয়নের জনগণ

শ্যামনগর জ্বালানী তেল বন্টনে স্বচ্ছতায় এগিয়ে গাবুরা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান, প্রশংসায় ৩ ইউনিয়নের জনগণ
আল-হুদা মালী গাবুরা শ্যামনগর প্রতিনিধি: মুন্সীগঞ্জ ডেলমা ফিলিং স্টেশনে জ্বালানী তেল বন্টনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন এবং প্রশংসায় ভাসছেন গাবুরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব জি,এম মাছুদুল আলম। শুক্রবার (২৪শে এপ্রিল) সকাল ৭টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত তিনি রোদে দাড়িয়ে তার এই উদ্যোগে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। শুধু নিজ ইউনিয়নের মানুষই নয়, আশ পাশের আরও তিনটি ইউনিয়নের জনগণও। সম্প্রতি সরকার নির্ধারিত কর্মসূচির আওতায় জ্বালানী তেল বিতরণ কার্যক্রম শুরু হলে দেশের বিভিন্ন স্থানে অনিয়মের অভিযোগ উঠলেও গাবুরা ইউনিয়নে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। চেয়ারম্যানের সরাসরি তদারকি ও সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনার ফলে পুরো প্রক্রিয়াটি ছিল স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক এবং জনবান্ধব।


মুন্সীগঞ্জ ডেলমা ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার নাজমুল হোসাইন বলেন, তেল বিতরণের আগে উপকারভোগীদের তালিকা প্রকাশ করা হয় এবং নির্দিষ্ট সময়সূচি মেনে সকলকে উপস্থিত থাকতে বলা হয়। কোনো ধরনের অনিয়ম বা পক্ষপাতিত্বের সুযোগ না রাখতে প্রতিটি ধাপেই ছিল নজরদারি। ফলে সাধারণ মানুষ নির্ধারিত পরিমাণ তেল সঠিকভাবে গ্রহণ করতে পেরেছেন।


গাবুরা হরিষ খালি মটর শ্রমিকের সভাপতি আয়ুব আনছারী ও ডুমুরিয়া মটর শ্রমিকের সভাপতি নূর হোসেন বলেন, এভাবে সুশৃঙ্খলভাবে তেল বিতরণ আমরা আগে দেখিনি। চেয়ারম্যান নিজে উপস্থিত থেকে সব কিছু তদারকি করেছেন, তাই কোনো ভোগান্তি হয়নি। এদিকে পাশের দুইটি ইউনিয়নের জনগণও এ উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন। তারা মনে করেন, গাবুরা ইউনিয়নের এই মডেল অনুসরণ করলে অন্যান্য এলাকাতেও অনিয়ম কমে আসবে এবং সাধারণ মানুষ উপকৃত হবে।


সুন্দরবন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাছুম বিল্লাহ বলছেন, জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্বশীলতা ও আন্তরিকতা থাকলে সরকারি যেকোনো কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়ন সম্ভব। গাবুরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তার কর্মদক্ষতা দিয়ে সেটিই প্রমাণ করেছেন। সব মিলিয়ে, জ্বালানী তেল বন্টনে স্বচ্ছতা ও সুশাসনের এক উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে গাবুরা ইউনিয়নের এই উদ্যোগ এখন এলাকায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।


গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জি, এম মাছুদুল আলম বলেন, জ্বালানী তেল বণ্টনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদ সবসময় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। সরকারি নির্দেশনা মেনে প্রকৃত উপকারভোগীদের তালিকা যাচাই-বাছাই করে সঠিকভাবে জ্বালানী তেল বিতরণ করা হচ্ছে। কোনো ধরনের অনিয়ম বা পক্ষপাতিত্বের সুযোগ নেই। জনগণের আস্থা বজায় রাখতে আমরা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতেই কাজ করছি। তিনি আরও বলেন, ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে সমানভাবে তেল পৌঁছে দিতে সংশ্লিষ্ট সদস্যদের মাধ্যমে তদারকি করা হচ্ছে। যাতে করে কোনো অসুবিধা বা অভিযোগ না থাকে, সেজন্য সরাসরি অভিযোগ গ্রহণের ব্যবস্থা ও রাখা হয়েছে।
Uploaded Image