কপোতাক্ষ নিউজে খালি থাকা সাপেক্ষে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। অতিস্বত্তর সম্পাদকের সাথে যোগাযোগ করুন।

মোহনগঞ্জে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে ইউপি সদস্য গুরুতর আহত

মোহনগঞ্জে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে ইউপি সদস্য গুরুতর আহত

আহত ইউপি সদস্য শহীদ মিয়া

মোহনগঞ্জ (নেত্রকোনা) প্রতিনিধিঃ নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে মো.শহীদ মিয়া (৫০) নামে এক ইউপি সদস্যকে ছুরিকাঘাতে জখম করা হয়েছে। পরে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।আহত শহীদ মিয়া উপজেলার মাঘান-সিয়াধার ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) এক নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য।  আজ শনিবার মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুল ইসলাম হারুন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে পৌরশহরের টেংগাপাড়া এলাকায় সিএনজি অটোরিকশা স্ট্যান্ডে এ ঘটনা ঘটে। 

পুলিশ, স্থানীয় লোকজন ও ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার রাতে হ্যান্ডট্রলিতে করে শগীদ মিয়ার ধান আড়তে নিয়ে যাচ্ছিল চালক। স্থানীয় কয়েকজন মিলে ২-৩ বস্তা ধান হ্যান্ডট্রলি থেকে নামিয়ে রেখে দেয়। পরে রাত ১২টার দিকে এ বিষয়ে প্রতিবাদ জানাতে গেলে শহীদ মিয়ার পেটে একাধিকবার ছুরিকাঘাত করা হয়। আশপাশের লোজজন তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। তবে অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে রাতেই মমেক হাসাপাতালে পাঠানো হয়।  আজ শনিবার পর্যন্ত সেখানেই তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

আহত শহীদ মিয়ার ছোট ভাই শফিকুল ইসলাম বলেন, হামলাকারীদের অনেককেই আমরা চিনতে পেরেছি। ভাইয়ের জীবন বাঁচাতে তাকে নিয়ে ময়মনসিংহ চলে যাওয়ায় ওই সময় থানায় অভিযোগ করতে পারিনি। আজ বিকালে গিয়ে হামলাকারীদের নাম উল্লেখ করে এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ করা হবে। এ বিষয়ে ওসি হাফিজুল ইসলাম বলেন,  ঘটনার পরপরই এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। তবে এখনো কেউ থানায় অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

শোক সংবাদ সকলকে কাঁদিয়ে চলে গেলেন আফতাব জজ

শোক সংবাদ সকলকে কাঁদিয়ে চলে গেলেন আফতাব জজ

Uploaded Image
মোঃ রবিউল সরদার, আত্রাই প্রতিনিধি: জালালাবাদ গ্রামের কৃতি সন্তান, সকলের পরম শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব, অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ জনাব আফতাব উদ্দীন প্রামানিক গতকাল বিকেল ৫টা ৪১ মিনিটে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তিনি পরিবার-পরিজন, আত্মীয়-স্বজন, অসংখ্য গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন। কর্মজীবনে তিনি সততা, ন্যায়পরায়ণতা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে সবার শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা অর্জন করেন। ব্যক্তিজীবনেও তিনি ছিলেন অত্যন্ত সদালাপী, মানবিক, বিচক্ষণ ও পরোপকারী একজন মানুষ। তাঁর ইন্তেকালে এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

মরহুমের জানাজার নামাজ আজ বাদ জুমা তার নিজ বাসভবন, রানীনগর উপজেলাধীন মিরাট ইউনিয়নের জালালাবাদ গ্রামে অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত জানাজায় আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও সর্বস্তরের জনগণকে উপস্থিত থেকে দোয়া করার জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ জানানো যাচ্ছে। মরহুমের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করা হচ্ছে এবং মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের নিকট তাঁর রূহের মাগফিরাত কামনা করা হচ্ছে। আল্লাহ যেন তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন—এই দোয়া করা হলো।

শ্যামনগর জ্বালানী তেল বন্টনে স্বচ্ছতায় এগিয়ে গাবুরা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান, প্রশংসায় ৩ ইউনিয়নের জনগণ

শ্যামনগর জ্বালানী তেল বন্টনে স্বচ্ছতায় এগিয়ে গাবুরা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান, প্রশংসায় ৩ ইউনিয়নের জনগণ
আল-হুদা মালী গাবুরা শ্যামনগর প্রতিনিধি: মুন্সীগঞ্জ ডেলমা ফিলিং স্টেশনে জ্বালানী তেল বন্টনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন এবং প্রশংসায় ভাসছেন গাবুরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব জি,এম মাছুদুল আলম। শুক্রবার (২৪শে এপ্রিল) সকাল ৭টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত তিনি রোদে দাড়িয়ে তার এই উদ্যোগে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। শুধু নিজ ইউনিয়নের মানুষই নয়, আশ পাশের আরও তিনটি ইউনিয়নের জনগণও। সম্প্রতি সরকার নির্ধারিত কর্মসূচির আওতায় জ্বালানী তেল বিতরণ কার্যক্রম শুরু হলে দেশের বিভিন্ন স্থানে অনিয়মের অভিযোগ উঠলেও গাবুরা ইউনিয়নে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। চেয়ারম্যানের সরাসরি তদারকি ও সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনার ফলে পুরো প্রক্রিয়াটি ছিল স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক এবং জনবান্ধব।


মুন্সীগঞ্জ ডেলমা ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার নাজমুল হোসাইন বলেন, তেল বিতরণের আগে উপকারভোগীদের তালিকা প্রকাশ করা হয় এবং নির্দিষ্ট সময়সূচি মেনে সকলকে উপস্থিত থাকতে বলা হয়। কোনো ধরনের অনিয়ম বা পক্ষপাতিত্বের সুযোগ না রাখতে প্রতিটি ধাপেই ছিল নজরদারি। ফলে সাধারণ মানুষ নির্ধারিত পরিমাণ তেল সঠিকভাবে গ্রহণ করতে পেরেছেন।


গাবুরা হরিষ খালি মটর শ্রমিকের সভাপতি আয়ুব আনছারী ও ডুমুরিয়া মটর শ্রমিকের সভাপতি নূর হোসেন বলেন, এভাবে সুশৃঙ্খলভাবে তেল বিতরণ আমরা আগে দেখিনি। চেয়ারম্যান নিজে উপস্থিত থেকে সব কিছু তদারকি করেছেন, তাই কোনো ভোগান্তি হয়নি। এদিকে পাশের দুইটি ইউনিয়নের জনগণও এ উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন। তারা মনে করেন, গাবুরা ইউনিয়নের এই মডেল অনুসরণ করলে অন্যান্য এলাকাতেও অনিয়ম কমে আসবে এবং সাধারণ মানুষ উপকৃত হবে।


সুন্দরবন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাছুম বিল্লাহ বলছেন, জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্বশীলতা ও আন্তরিকতা থাকলে সরকারি যেকোনো কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়ন সম্ভব। গাবুরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তার কর্মদক্ষতা দিয়ে সেটিই প্রমাণ করেছেন। সব মিলিয়ে, জ্বালানী তেল বন্টনে স্বচ্ছতা ও সুশাসনের এক উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে গাবুরা ইউনিয়নের এই উদ্যোগ এখন এলাকায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।


গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জি, এম মাছুদুল আলম বলেন, জ্বালানী তেল বণ্টনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদ সবসময় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। সরকারি নির্দেশনা মেনে প্রকৃত উপকারভোগীদের তালিকা যাচাই-বাছাই করে সঠিকভাবে জ্বালানী তেল বিতরণ করা হচ্ছে। কোনো ধরনের অনিয়ম বা পক্ষপাতিত্বের সুযোগ নেই। জনগণের আস্থা বজায় রাখতে আমরা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতেই কাজ করছি। তিনি আরও বলেন, ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে সমানভাবে তেল পৌঁছে দিতে সংশ্লিষ্ট সদস্যদের মাধ্যমে তদারকি করা হচ্ছে। যাতে করে কোনো অসুবিধা বা অভিযোগ না থাকে, সেজন্য সরাসরি অভিযোগ গ্রহণের ব্যবস্থা ও রাখা হয়েছে।
Uploaded Image

জাল দলিল ও রাজনৈতিক প্রভাবে অসহায়দের জমি দখল

জাল দলিল ও রাজনৈতিক প্রভাবে অসহায়দের জমি দখল
রাজশাহী ব্যুরো
Uploaded Image

নওগাঁর বালুডাঙ্গা ও সদর উপজেলার চকরামচন্দ্র মৌজায় জাল দলিল তৈরি এবং রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে জমি দখলের অভিযোগে দায়ের হওয়া একটি মামলায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হয়েছে। এ ঘটনায় আদালত চার আসামির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে জালিয়াতির মাধ্যমে দলিল তৈরি করে অসহায় ও সাধারণ মানুষের জমি অবৈধভাবে দখল করে আসছিল। অভিযোগ রয়েছে, এই চক্রের নেতৃত্বে ছিলেন ১ নম্বর আসামি মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক (নান্টু), যিনি অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা। তিনি তার অপর তিন সহোদর ভাইসহ রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে জমির প্রকৃত মালিকানা না থাকা সত্ত্বেও নিজেদের নামে দাবি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেন। গত ১৯ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে নওগাঁ জেলা অ্যাডভোকেট বার ভবনের আব্দুল জব্বার হলরুমে উভয় পক্ষ আইনজীবীদের উপস্থিতিতে আলোচনায় বসেন। এ সময় বিবাদীপক্ষ একটি দলিল উপস্থাপন করে জমির মালিকানা দাবি করলে বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় পরবর্তীতে যাচাই-বাছাই করা হয়। তদন্তে উঠে আসে, উপস্থাপিত দলিলটি সম্পূর্ণ ভুয়া এবং সংশ্লিষ্ট জমির সঙ্গে কোনো মিল নেই।

বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নির্দেশে মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পায় পিবিআই, নওগাঁ। তদন্ত কর্মকর্তা সরেজমিন পরিদর্শন, সাক্ষ্যগ্রহণ এবং দালিলিক প্রমাণ যাচাই করে নিশ্চিত হন যে, আসামিরা পরিকল্পিতভাবে জাল দলিল প্রস্তুত করে তা ব্যবহার করে জমি দখলের অপচেষ্টা চালিয়েছে। পাশাপাশি রাজনৈতিক পরিচয় ও প্রভাব খাটিয়ে তারা দীর্ঘদিন ধরে জমি অবৈধভাবে দখলে রাখার চেষ্টা করেছে বলেও তদন্তে উঠে আসে। তদন্তে আরও প্রমাণিত হয়, আসামিরা মূল মালিকানা না থাকা সত্ত্বেও জমি নিজেদের বলে প্রচার করে এবং জালিয়াতির মাধ্যমে তৈরি দলিল বিভিন্ন স্থানে উপস্থাপন করে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে। এ ঘটনায় ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর ৪(ক), ৫(২) ও ১৬ ধারার অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

মামলার প্রেক্ষিতে আসামি মোঃ মতিউর রহমান, মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক, মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান ও মোঃ মশিউর রহমান আদালতে জামিন আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে তাদের জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। অপর আসামি জয়নাল আবেদীনের বিরুদ্ধেও প্ররোচনার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। পিবিআই জানিয়েছে, মামলার তদন্ত শেষে আদালতে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে এবং পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এই ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং জাল দলিল চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

News

News
আত্রাইয়ে এলজিইডির প্রকৌশলীর কাছে তথ্য চাওয়ায়  সাংবাদিক হেনস্তার শিকার


মোঃ ফিরোজ আহম্মেদ 
 রাজশাহী ব্যুরো
Uploaded Image


নওগাঁর আত্রাই উপজেলা এলজিইডি (স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর) অফিসে সংবাদ সংক্রান্ত সংবাদ সংগ্রহ কর্মকর্তা কর্মচারীরা অফিসে দেরী করে আসা বিষয়ে তথ্য নিতে গিয়ে  দুই সাংবাদিক হেনস্তার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিক মহলে ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। 

গতকাল বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলা এলজিইডি অফিসে এ ঘটনা ঘটে। 

ভুক্তভোগী সাংবাদিকরা হলেন এশিয়ান টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টার, নওগাঁ জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি ও আত্রাই উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি উত্তাল মাহমুদ এবং দৈনিক সংবাদের উপজেলা প্রতিনিধি কাজী রহমান। 

জানা যায়, ‘ভাগ সুন্দর বিশা’ সড়ক সংস্কার কাজের অনিয়ম সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহের জন্য তারা এলজিইডি অফিসে যান। এ সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য চাইলে অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তা ও কর্মচারী তাদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। একপর্যায়ে তাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয় এবং অফিস থেকে বের হয়ে যেতে বলা হয়। 

সাংবাদিক উত্তাল মাহমুদ জানান, “গত তিনদিন ধরে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার কাছে তথ্য নেওয়ার চেষ্টা করছি। প্রতিদিনই তিনি এড়িয়ে যাচ্ছেন। বৃহস্পতিবারও সকাল থেকে অপেক্ষা করার পর তিনি দেরিতে অফিসে আসেন। দেরির কারণ জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান।” ইতিপূর্বে এই রাস্তাটির সংস্কারের অনিয়ম বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে উপজেলা প্রকৌশলী নীতিশ কুমার জানান ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে পরামর্শ করে জানানো হবে তথ্য দেওয়া যাবে কিনা। 

তিনি আরও বলেন, “পরবর্তীতে আমরা রুম থেকে বের হলে অফিস সহায়ক এমদাদ, অফিস সহকারী সালাম ও কম্পিউটার অপারেটর দীপ্ত হঠাৎ আমাদের ওপর চড়াও হয়ে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন এবং হেনস্থা করেন। বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক ও অগ্রহণযোগ্য।” 

অন্যদিকে সাংবাদিক কাজী রহমান বলেন, “আমি তাদের ভদ্রভাবে কথা বলতে বললে তারা উল্টো আমাদের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে। আমাকে ‘চুপ কর’, ‘বের হয়ে যা’ বলে হুমকি দেয়। এমনকি আমাকে দেখে নেওয়ার কথাও বলা হয়।” 

তিনি আরও বলেন, “সরকারি দপ্তরে তথ্য নিতে গিয়ে যদি সাংবাদিকরা এভাবে হেনস্তার শিকার হন, তাহলে সুশাসন ও স্বচ্ছতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে।” 

এ ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিকরা জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, গণমাধ্যমকর্মীদের নিরাপত্তা ও তথ্যপ্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। 

এ বিষয়ে প্রকৌশলী নীতিশ কুমারের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোনে এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য দেন নি। 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ মো. আলাউল ইসলাম বলেন, “কোনো সংবাদকর্মী তথ্য চাইলে তা না দিয়ে এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। তাকে সহযোগিতা করা উচিত ছিল। বিষয়টি আমি জেনেছি, সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” 

এ বিষয়ে নিবার্হী প্রকৌশলী কর্মকর্তা মোঃ বদরুদ্দোজা বলেন, এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

মোঃ ফিরোজ আহমেদ 
০১৭১০৯৬৭৫২২

News

News
নওগাঁর আত্রাইয়ে মা সমাবেশ অনুষ্ঠিত


মোঃ ফিরোজ আহম্মেদ 
 রাজশাহী ব্যুরো

নওগাঁর আত্রাই উপজেলার দ্বিপ্চাদপুর উত্তরপাড়া জামে মসজিদে মা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সহজ কোরআন শিক্ষা কেন্দ্রের উদ্যোগে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৮নং হাটকালুপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ডা. মো. আকরাম হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের শিক্ষক মো. আমিনুল ইসলাম।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ইউপি সদস্য ও শিক্ষা কেন্দ্রের সভাপতি মো. ইদ্রিস আলী বাবু এবং সঞ্চালনায় ছিলেন হাফেজ ও সাংবাদিক মো. ফিরোজ আহমেদ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন মো. খয়বর রহমান, আব্দুল জলিল, সায়েদ আলী, মজনু প্রাং, ছোট্টন আলী, আক্তার আলীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, মা ও শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে বলেন, সন্তানদের নিয়মিত মক্তবে পাঠিয়ে কোরআন শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হবে।
অনুষ্ঠানের শেষে রূপসী নওগাঁর সভাপতি ও প্রতিষ্ঠাতা ডেন্টিস্ট মো. খালেদ বিন ফিরোজের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে পানির মগ উপহার হিসেবে ৯ জনের মধ্যে বিতরণ করা হয়।

মোঃ ফিরোজ আহমেদ 
০১৭১০ ৯৬৭৫২২
Uploaded Image Uploaded Image Uploaded Image Uploaded Image

News

News
নওগাঁর নিয়ামতপুরে একই পরিবারের চারজন হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার ৩


মোঃ ফিরোজ আহম্মেদ 
রাজশাহী ব্যুরো
Uploaded Image


নওগাঁর নিয়ামতপুরে দেশব্যাপী আলোচিত একই পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার ঘটনার রহস্য একদিনের মধ্যেই উদঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় তিনজন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গত ২১ এপ্রিল সংঘটিত এ নৃশংস হত্যাকাণ্ডে নিহত হন একই পরিবারের পিতা, মাতা ও তাদের দুই শিশু সন্তান। ঘটনার পরপরই জেলা পুলিশের একটি চৌকশ দল তদন্তে নামে এবং টানা প্রায় ২০ ঘণ্টার অভিযানে হত্যার রহস্য উদঘাটনে সক্ষম হয়।

পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জঙ্গল ও পানির ডোবা থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ধারালো বড় আকারের হাসু ও একটি বৃহৎ ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে।

এদিকে, মঙ্গলবার বিকেলে নিহত চারজনের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় শতশত মানুষ অংশগ্রহণ করেন এবং হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান।

পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম), মান্দা সার্কেল, নিয়ামতপুর থানা ও জেলা গোয়েন্দা শাখার সমন্বিত প্রচেষ্টায় দ্রুত সময়ের মধ্যে আসামি গ্রেফতার ও আলামত উদ্ধার সম্ভব হয়েছে বলে জানানো হয়।

এরই মধ্যে গ্রেফতারকৃত প্রধান আসামি সবুজ আদালতে দোষ স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

পুলিশের এই দ্রুত পদক্ষেপে স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।

মোঃ ফিরোজ আহমেদ 
০১৭১০ ৯৬৭৫২২